দ্বিতীয় বারের জন্য আইপিএল শিরোপা জিতে ইতিহাস গড়লো রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু (RCB)। টানা দুই বারের জন্য শিরোপা জিতলেন রজত পতিদার। মেগা ফাইনালে আবার একটি মাস্টার স্ট্রোক দেখতে পাওয়া গেল কিং কোহলির (Virat Kohli) ব্যাট থেকে। টুর্নামেন্ট শুরু থেকেই ব্যাঙ্গালুরু দলের পারফরম্যান্স ছিল আকাশ ছোঁয়া। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই অসাধারণ খেলেছে দল। এখানেই শেষ নয়, শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে আবারও একবার রানার্স আপ হয়ে থেকে গেল গুজরাট টাইটান্স। তাদের তৃতীয় ফাইনালে দ্বিতীয় বারের জন্য রানার্স আপ হতে হলো। একদিকে ক্রিকেটের আনন্দে মেতে ছিল দেশবাসী তো অন্যদিকে উত্তরপ্রদেশের মিরাটে এক চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে।
নিহত তরুণী অনুষ্কা ওরফে রিয়া যিনি একজন কবাডি খেলোয়াড় ছিলেন। গত ১৬ ই এপ্রিল থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। তার বাবা মেয়ের খোজের তাগিদে ১৬ই এপ্রিল থেকেই পুলিশ প্রশাসনের দরজায় দরজায় ঘুরছিলেন। তিনি বারবার সাহায্যের জন্য আবেদন করছিলেন। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর অবশেষে তার মৃতদেহ একটি নর্দমা থেকে উদ্ধার করা হয় যা পরিস্থিতিকে আরো ভয়াবহ করে তোলে। এই গোটা ঘটনাটা আর পুলিশ তদন্ত করে এবং উঠে আসে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।
Read More: ফাইনালের রাতে গুজরাটের টিম বাসে আগুন, চোট পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি শুভমান গিল !!
কাবাডি প্লেয়ারের খুনে কেঁপে উঠলো দেশবাসী

অভিযুক্ত শ্যাম ধনাক স্থানীয় এক ফাস্টফুড বিক্রেতা। অনুষ্কার সঙ্গে আর্থিক লেনদেনে জড়িত ছিল। দীর্ঘদিন ধরে মাত্র ৩৬০০ টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে বিবাদ চলছিল। জানা যায় শ্যাম ধনাখ অনুষ্কার কাছ থেকে ৩৬০০ টাকা ধার নিয়েছিলেন। সেই টাকা শোধ দেওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে বিবাদ চলছিল। আর সেই বিবাদই এই ভয়াবহ পরিণতি ডেকে নিয়ে আসে। তদন্তে উঠে এসেছে অভিযুক্ত অনুষ্কাকে পরিকল্পনা করে ডেকে নিয়ে যায়। তারপর অপহরণ করে এবং ইট দিয়ে পিটিয়ে নিষ্ঠুর ভাবে তাকে হত্যা করে। এই পুরো ঘটনাটার প্রমাণ লোপাট করতে তিনি মৃতদেহকে একটা বস্তায় ভরে রোহতা বাইপাসের একটি নর্দমার পাশে ফেলে দেন।
পুলিশ পুরো বিষয়টা তদন্ত করে এবং প্রযুক্তিগত প্রমাণ কল রেকর্ড এবং নজরদারের মাধ্যমে অভিযুক্তকে শনাক্ত করে। গ্রেফতার করার পর জিজ্ঞাসাবাদে শ্যাম ধনাাক পুরো বিষয়টা স্বীকার করে। তারপরেই পুরো ঘটনাটি সামনে আসে। আপাতত অভিযুক্তকে আদালতে পেশ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনার সবচেয়ে মর্মান্তিক দীপ হল নিহতের পরিবারের অবস্থা। এই পুরো ঘটনায় অনুষ্কার পরিবারকে একেবারে ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে।