RCB: আইপিএল হলো বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় টি টোয়েন্টি লিগ। এখানে প্রতিটি খেলোয়াড়ের পারফরমেন্স যেমন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে তেমনই তাদের আচরণও সবার নজরে থাকে। সম্প্রতি গুজরাট টাইটান্স বনাম রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ম্যাচে ব্যাঙ্গালোরের জয়ে মেতে উঠেছিল গোটা দল। ঠিক সেই সময় দলেরই এক তারকা টিম ডেভিডের (Tim David) জীবনে নেমে এলো এক বড় বিপর্যয়। ম্যাচ চলাকালীন দশম ওভারে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সূত্রপাত। অভিযোগ ওঠে ডেভিড ম্যাচ চলাকালীন আম্পায়ার নীতীন মেননের দিকে একটি বরফের ব্যাগ ছুড়ে মারেন যা নিয়ম ভঙ্গের আওতায় পড়ে।
আইপিএলে এমন আচরণ গুরুতর অপরাধ। আইপিএলের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে ডেভিড শৃঙ্খলা বিধির ২.৯ ধারা আইন লঙ্ঘন করেছেন। এই ধারায় বলা হয়েছে যে যদি কোন ক্রিকেটার বিপজ্জনক ভাবে মাঠে থাকা কোনো ব্যক্তির দিকে ব্যাট বা কোনো শক্ত বস্তু ছুড়ে দেন তাহলে তা শাস্তি যোগ্য অপরাধ। এই অপরাধের জন্য ডেভিডকে ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে এবং তার নামে দুটি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা হয়েছে। ডেভিড এর ক্ষেত্রে এটাই তার প্রথম অপরাধ নয়, চলতি মৌসুমে এর আগেও তিনি দুবার শাস্তি পেয়েছিলেন। ফলে এই নতুন অপরাধের পর তার মোট ডিমেরিট পয়েন্ট দাঁড়ায় পাঁচ।
Read More: মেসির মূর্তি সরিয়ে নতুন ঠিকানার খোঁজ! জল্পনায় সরগরম কলকাতা
প্রথম ম্যাচে বাদ টিম ডেভিড

নিয়ম অনুযায়ী চার থেকে সাত পয়েন্ট এর মধ্যে পড়লে একটি ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। তাই তাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। ডেভিড নিজেও তার অপরাধ স্বীকার করেছেন এবং নিজের শাস্তি মেনে নিয়েছেন। এই শাস্তি ডেভিডের ক্যারিয়ারে একটা বড় প্রভাব ফেলতে পারে। পরের মৌসুমে প্রথম ম্যাচ মাঠের বাইরে বসে থাকা একটা খেলোয়াড়ের পক্ষে যেমন হতাশা জনক, তেমনি দলের পক্ষেও একটা বড় ধাক্কা। মূলত প্রথমে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে গ্রুপ লীগের প্রথম সাক্ষাতে যখন ডেভিড ব্যাটিং করছিলেন তখন বল পরীক্ষা করতে দেখা গিয়েছিল তাকে যার ফলে তাকে একটি ডেমরিট পয়েন্ট দেওয়া হয়। এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে মিডিল ফিঙ্গার দেখিয়ে ছিলেন জেতার পর যে কারণে তাকে জরিমানার পাশাপশি দুটি ডেমরিট পয়েন্টও দেওয়া হয়েছিল। এরপর ফাইনালে আবার দুটি ডেমরিট পয়েন্ট পাওয়ার জন্য আপাতত আসন্ন মৌসমের প্রথম ম্যাচে ব্যান ডেভিড। চলতি মৌসুমে RCB’এর হয়ে ডেভিড ব্যাট হাতে বেশ ভালো ছন্দে ছিলেন। এই মৌসুমে তিনি ৩৩.৮৯ গড়ে এবং ১৮৮.২৭ স্ট্রাইক রেটে ৩০৫ রান বানিয়েছিলেন।