অবশেষে ৭৪ ম্যাচের পরিসমাপ্তির পর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের মঞ্চে শিরোপা জয় করে নিয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। একেরপর এক ক্রিকেট ইভেন্টের পর এবার বিশ্বব্যাপি ক্রীড়া প্রেমীদের নজরে থাকবে ফুটবল বিশ্বকাপ। ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে হয়তো শেষ বারের জন্য দেখতে পাওয়া যাবে আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি লিওনেল মেসি ও পর্তুগালের ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে। দুই কিংবদন্তির খেলা দেখতে মুখিয়ে থাকবে ক্রীড়া প্রেমীরা। কয়েক মাস আগেই ভারত ভ্রমণে এসেছিলেন লিওনেল মেসি। কলকাতায় পা রেখেছিলেন তিনি, আর তিনি আসার আগেই লেকটাউনে ৭০ ফুটের তাঁর একটি মূর্তি তৈরি করা হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গে সরকার বদলের পর বেশ কিছু জিনিসে বদল দেখা যাচ্ছে।
ভেঙে ফেলা হয়েছে বিশ্ব বাংলার লোগো। এবার মেসির মূর্তি নামানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে শুরু হল, লেকটাউনের লিওনেস মেসির। সুজিত বসুর উদ্যোগে, লেকটাউনের মোড়ে বসানো হয়েছিল মেসির ৪৪ ফুটের এই মূর্তি, উদ্বোধন করেছিলেন, স্বয়ং লিওনেস মেসি। যদিও, এই মূর্তিকে ঘিরে অসংখ্য ভক্তের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। তাই মূর্তিটিকে অক্ষত নামিয়ে আনাই ছিল PWD-এর ইঞ্জিনিয়ারদের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ। সোমবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছিল মূর্তি নামানোর প্রক্রিয়া। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে, এলাকার মানুষেরা হঠাৎ লক্ষ করেন, জোরে হাওয়া দিলে দুলছে মেসির এই বিশাল মূর্তি। ৭০ ফুট উঁচু মূর্তিটি মূলত ২ তলা বাড়ির সমান উঁচু। হওয়ার কারনে মূর্তিটি দুলতে দেখে রিতিমতন ভয়ে ছিলেন এলাকার লোকজন।
Read More: ওপেনার বৈভব-বাদ ক্লাসেন, এই বছর IPL’এর সেরা একাদশ এল প্রকাশ্যে !!
সরিয়ে ফেলা হয়েছে মেসির ৭০ ফুটের মূর্তি

এরপর প্রশাসনের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হন তাঁরা। এরপর, PWD’এর বিশেষজ্ঞদের দিয়ে পরীক্ষা করে জানা যায় যে মূর্তিটি সত্যিই বিপজ্জনক অবস্থায় ছিল। এমনকি মাঝে একদিন ঝড়ের কারণেই বেশ দুলতে থাকে মূর্তিটি। নিরাপত্তার কারণে গত দুই সপ্তাহ ধরে বন্ধ ছিল রাস্তাটি। এমনকি, দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছিল মূর্তিটি। মেসির এই মূর্তি নামানোর ক্ষেত্রে, সবচেয়ে বড় যে বিষয়টা বাধা, তা হল এই মূর্তির উচ্চতা। এত বড় মূর্তিকে ক্রেন ছাড়া নামানোর আর কোনও উপায় নেই।
তবে ক্রেন দিয়ে নামাতে গেলে মূর্তিটির ক্ষতিও হতে পারতো। পাটাতন থেকে নামিয়ে হাইড্রলিক ক্রেনের সাহায্যে সেটিকে ট্রাকে তোলা হয়। বর্তমানে মূর্তিটি পূর্ত দফতরের তত্ত্বাবধানে রাখা রয়েছে। তবে সেটি কোথায় রাখা হবে তা নিয়ে স্পষ্ট আপডেট নেই কারোর কাছেই। বেশ কিছু সূত্রের দাবি, মূর্তিটি রবীন্দ্র সরোবর কিংবা ইকো পার্কে স্থাপন করা হবে। রাজ্য সরকার অবশ্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।