সম্প্রতি গুজরাট টাইটান্সকে হারিয়ে দ্বিতীয় বারের জন্য আইপিএল শিরোপা জয় করে নিলো রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। চলতি আইপিএলে দেখা গিয়েছে রানের বন্যা। একের পর এক বড় স্কোরে প্রতিনিয়ত বাড়ছে উত্তেজনা। আর সেই কারণেই ব্যাট বলের ভারসাম্য নিয়ে চিন্তা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে এই পরিস্থিতিতে শচীন টেন্ডুলকারের (Sachin Tendulkar) মন্তব্য আরো বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ভারসাম্য আনার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে নিজের মতামত পেশ করেছেন লিটল মাস্টার।
ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের বিরোধিতা করলেন শচীন টেন্ডুলকার

সাক্ষাৎকারে টেন্ডুলকারের স্পষ্ট দাবি ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার খেলার জাত নষ্ট করে দিচ্ছে। মন্তব্য করে তিনি বলেন, “ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়মটা খেলায় ভারসাম্য নষ্ট করছে এই নিয়মটা তুলে দেওয়া উচিত।” তার মতে এই নিয়মের ফলে দলগুলো একজন অতিরিক্ত ব্যাটসম্যানের সুবিধা পেয়ে যাচ্ছে। যা বোলারদের জন্য চ্যালেঞ্জিং বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২৩ সাল থেকে এই নিয়মটা চালু হয়ে খেলার ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে বলে মনে করছেন তিনি। শুধু এটাই নয় আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। পাওয়ারপ্লের নিয়ম পরিবর্তনের কথা তুলে তিনি বলেন, “প্রথম চার ওভারেই ফিল্ডিং বিধিনিষেধ থাকুক পরের দুই ওভার বোলিং দল নিজের মতো করে ফিল্ডিং সাজান।” এতে বোলাররা নিজেদের মতো করে খেলা সাজাতে পারবে।
Read More: IPL 2026-এ বৈভব ঝড়! রেকর্ড গড়ে ৫ পুরস্কার জিতলেন বিহারের বিস্ময়
আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব হলো অতিরিক্ত একজন ফিল্ডার কে বাইরে রাখার সুযোগ। শচীন বলেন, “এতে করে ম্যাচের যেকোনো সময়ে এই সুবিধা নিতে পারবে।” এতে বোলাররা ব্যাটসম্যানদের কিছুটা চাপে রাখতে পারবে। তিনি আরো একটি তাৎপর্যপূর্ণ প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন “সেরা বোলারদের ৫ ওভার পর্যন্ত বল করতে দেওয়া উচিত। একজন ব্যাটসম্যান যদি পুরো কুড়ি ওভার পর্যন্ত ব্যাট করতে পারে তাহলে একজন বোলার ৫ ওভার কেন বল করতে পারবে না?“
বৈভবের প্রশংসায় পঞ্চমুখ লিটল মাস্টার

পাশাপশি, এই আলোচনার মাঝেই বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়েও তিনি মতামত প্রকাশ করেছেন তিনি বলেন, “ওর মধ্যে বিশেষ প্রতিভা রয়েছে শুধু শক্তিশালী শর্ট নয় তার নিখুঁত টাইমিং এবং কবজির ব্যবহার তাকে আলাদা করে তুলেছে। বাকিদের থেকে আগে বলটা বুঝে ফেলে বলেই এত নিখুঁত খেলতে পারে। এর পাশাপাশি তিনি বৈভবের বিষয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন “ও নিজের মতো খেলুক।” অতিরিক্ত চাপ না নিয়ে স্বাভাবিকভাবে খেলাই হল আসল চাবিকাঠি।