আইপিএলের (IPL 2026) প্লে অফের লড়াই যত শেষের দিকে এগিয়ে চলছে আরও জমজমাট হয়ে উঠছে। আজ ইডেনের মাটিতে কলকাতার নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders) ভাগ্য নির্ধারণ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে গুজরাট টাইটান্সের (Gujarat Titans) বিপক্ষে। ম্যাচের প্রথম ইনিংসে নাইট বাহিনীদের হয়ে ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠেন ফিন অ্যালেন (Finn Allen)। এছাড়াও অঙ্গকৃষ রঘুবংশী (Angkrish Raghuvanshi) এবং ক্যামেরন গ্ৰিন (Cameron Green) জুটি বেঁধে স্কোরবোর্ড এগিয়ে নিয়ে যান। ফলে ২৪৮ রানের লক্ষ্যমাত্রা দেয় নাইট বাহিনী। এই রান তাড়া করতে নেমে আজ ওপেনিং করতে আসেন সাই সুদর্শন (Sai Sudarshan) এবং শুভমান গিল (Shubman Gill)। তবে সুদর্শন চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন।
Read More: “ব্যাঙেও লাথি মেরে গেল..”, মার্শ-পুরানের ব্যাটিং’এ লজ্জার হার CSK’এর, লখনউ জিততেই কটাক্ষ ভক্তদের !!
চোট পেলেন সাই সুদর্শন-

গুরুত্বপূর্ণ ওপেনিং জুটি হিসেবে সাই সুদর্শন এবং শুভমান গিল এই বছর আইপিএলেও গুজরাট টাইটান্সের অন্যতম ভরসা হয়ে উঠেছেন। আজকের ম্যাচে জয় তুলে নিলে শেষ চার এ নিশ্চিত জায়গা করে নেবে গিটি। ফলে বিশাল লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে সুদর্শন এবং গিল হাল ধরবেন বলে ভক্তরা আশা করছিলেন। দু’জনে প্রথমে চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করেন। কিন্তু সাই সুদর্শন কনুইতে গুরুতর চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন। ফলে চিন্তার মধ্যে পড়েছে গুজরাট।
উল্লেখ্য আজ তৃতীয় ওভারের শেষ বলে কার্তিক ত্যাগীর (Kartik Tayagi) দুরন্ত বল এসে সাই সুদর্শনের কনুইতে এসে আঘাত করে। বলের গতি ছিল ঘন্টায় ১৩৮ কিমি। আঘাত পাওয়ার পরই মাঠে পড়ে গিয়ে তিনি যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকেন। চোখে-মুখে ব্যথার ছাপ ফুটে উঠছিল। সঙ্গে সঙ্গে ফিজিও দল মাঠে ছুটে আছে। কিন্তু চোট এতটাই গুরুতর ছিল শেষ পর্যন্ত সাই সুদর্শনকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। উল্লেখ্য এই তরুণ তারকা ১৩ বলে মাত্র ২৩ রান করে মাঠ ছাড়েন।
বিশাল লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছে KKR-

আজ কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে ওপেনিং করতে নেমে ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠেন ফিন অ্যালেন। তিনি ৩৫ বলে ৯৩ রান করে রীতিমতো বিপক্ষ বোলারদের ধ্বংস করে দেন। এই তারকা হাঁকান ১০ টি ছয় এবং ৪ টি চার। এই তারকার ব্যাটিং স্ট্রাইক রেট ছিল ২৬৫.৭১। এরপর গুরুত্বপূর্ণ জুটি বাঁধেন অঙ্গকৃষ রঘুবংশী এবং ক্যামেরন গ্ৰিন। অঙ্গকৃষ আজ ৪৪ বলে অপরাজিত ৮২ রান করে দলকে আত্মবিশ্বাস দেন। তিনি হাঁকান ৪ টি চার এবং ৭ টি ছয়। অন্যদিকে গ্ৰিন করেন ২৮ বলে অপরাজিত ৫২ রান। মারেন ৩ টি চার এবং ৪ টি ছয়। ফলে কলকাতা ২৪৮ রানের লক্ষ্যমাত্রা দিতে সক্ষম হয়।