পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে হঠাৎ করেই তৈরি হয়েছে তীব্র অস্থিরতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ জানিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের এক ঝাক সংসদের এনডিএ তে যোগ দেওয়ার ইঙ্গিত কে ঘিরে তৈরি হয়েছে জোর জল্পনা ও বিতর্ক। আর এই ঘটনার মধ্যে বহরমপুরের সংসদ ইউসুফ পাঠানের নাম উঠে আসায় বিতর্ক আরো জোরালো হয়েছে। ক্রিকেট মাঠে লড়াই করা এক তারকা যিনি ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০১১ একদিনের বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য ছিলেন। একজন প্রাক্তন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হিসেবে তার জনপ্রিয়তা এবং পরিচিতি তাকে দ্রুত রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করেছিল। বহরমপুরে অধীর চৌধুরীর মত একজন অভিজ্ঞ নেতাকে হারিয়ে তার জয় অনেকের কাছেই চমকপ্রদ ছিল।
ইউসুফ পাঠানকে তোপ মহুয়া মৈত্রের

কিন্তু তারই নাম বিদ্রোহীদের তালিকায় উঠে আসায় তার রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। মহুয়া মিত্র এই প্রসঙ্গে যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি সরাসরি লিখেছেন, “এই সংসদরা তৃণমূলের টিকিটে জিতে ছিলেন। এন ডি এর পক্ষে জনাদেশ ছিল না। স্বার্থপর লোভী সংসদরা এখন বিজেপিতে যোগ দিন। এবং সংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিন তারপর বিজেপির টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন। দেখি আপনারা কেমন সাফল্য পান।” মহুয়ার এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে তুমূল বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
Read More: “বল সুইং হলে পা…” বিদেশের মাটিতে সমস্যায় পড়বেন বৈভব, সতর্কবার্তা সৌরভের !!
তবে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো পাঠানকে উদ্দেশ্য করে তার মন্তব্য, তিনি বলেছেন, “অমিত শাহ আপনাকে ডেকেছে বলেই আপনি দিল্লিতে চলে গেলেন? আপনার তো সাহস থাকা উচিত। ভারতের হয়ে খেলেছেন আপনি কিছুটা মেরুদন্ড তো থাকা উচিত লজ্জাও হওয়া উচিত।” তবে এই বিষয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এই তালিকায় আরো প্রায় কুড়ি জন সদস্যের নাম রয়েছে বলে দাবি করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে কাকলি ঘোষ দস্তিদার, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, দেব, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, জুন মালিয়া, শতাব্দী রায়, বাপি হালদার, অরূপ চক্রবর্তী, পার্থ ভৌমিকের মতো আরও বেশ কিছু জনপ্রিয় মুখ।