IPL: আইপিএল মানেই শুধু মাত্র মাঠের লড়াই নয়। মাঠের বাইরের বিতর্ক সমান আলোচনার জন্ম দেয়। গত সপ্তাহে দ্বিতীয় বারের জন্য আইপিএল বিজেতা হয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু দল। গুজরাট টাইটান্সকে হারিয়ে তারা ব্যাক টু ব্যাক শিরোপা জয় করলো। প্লে অফের দৌড় থেকে ছিটকে যেতে হয়েছিল সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ দলকে (SRH)। রাজস্থান রয়্যালসের দাপুটে পারফরম্যান্সের সামনে ফিকে পরে গিয়েছিল সানরাইজার্স দলের ব্যাটিং। তবে আইপিএল শেষে ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার লিয়াম লিভিংস্টোনের সাম্প্রতিক মন্তব্য আইপিএলের বিতর্কের নতুন মাত্রা দিয়েছে। তার অভিযোগ ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকেরা সরাসরি প্রথম একাদশ নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেন।
বিশেষ করে বিদেশী খেলোয়াড়দের বাছাইয়ের ক্ষেত্রে মালিকদের পছন্দই বেশি প্রাধান্য পায়।সম্প্রতি একটি পডকাস্টে লিভিংস্টোন বলেছেন, “আইপিএলে প্রধানত তিনটি দিক রয়েছে। প্রথমত ক্রিকেটাররা চুক্তিবদ্ধ থাকে। আর দ্বিতীয়ত অনিশ্চয়তা। আপনাকে খেলাতেও পারে আবার নাও খেলাতে পারে।” সুতরাং আইপিএলে একজন ক্রিকেটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার ওপরে নির্ভর করে। তিনি আরো বলেন যে, “আমার কথাই বলতে পারি, এবার যে দলে ছিলাম সেই দল সলিল আরোরা কে নিয়েছিল। মালিকদের পছন্দ হয়। তাই ওর সঙ্গে আমাদের চুক্তি হয়েছিল।“
কাব্য মারানের উপর উঠলো মস্ত বড় অভিযোগ

লিভিংস্টোনের বক্তব্য অনুযায়ী প্রথম একাদশ তৈরির সময় কোচ ড্যানিয়েল ভেট্টরি তাঁকে সরাসরি জানায়, “মালিকেরা এই ছেলেটাকে খুব পছন্দ করে। আমরা তিনজন বিদেশি নিয়েই খেলব।” এই কথায় তিনি অবাক হয়ে যান তখন তিনি বুঝে যান যে চোট না লাগলে তার খেলার সুযোগ নেই। মন্তব্য করে তিনি বলেন, “যখন আপনি জানবেন খেলার সুযোগ নেই, তখন আপনার মানসিকতাই পাল্টে যাবে।“
যদিও লিভিংস্টোন সরাসরি কাউকে দোষারোপ করেননি। তিনি বলেন, “মালিকরা এই সমস্ত কিছুর সিদ্ধান্ত নেন কিনা সেটা বলতে পারবো না। তবে তারা কিছু একটা নির্দেশ দেন।” এই মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট যে মালিকদেরও প্রভাব রয়েছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে উঠে আসছে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের মালকিন কাব্য মারানের নাম। যদিও তার বিরুদ্ধে সরাসরি কোন প্রমাণ নেই, তবুও দল নির্বাচনে যদি স্বচ্ছতা না থাকে তাহলে ফ্র্যাঞ্চাইজি বড় প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।