ভারত ‘এ’ দলের তরুণ ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশীকে (Vaibhav Sooryavanshi) ঘিরে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিরুদ্ধে ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে সুপার ওভারে হারের পর মাঠে দুই দলের কয়েকজন ক্রিকেটারের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। সেই ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন বৈভব। ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ভারত ‘এ’ ২৬৫ রান তোলে। দলের হয়ে উল্লেখযোগ্য ইনিংস খেলেন সূর্যাংশ শেডগে ও বিপরাজ নিগম। তবে বৈভব ব্যাট হাতে বড় রান করতে পারেননি। তিনি ১৪ বলে ২১ রান করে আউট হন। পরে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ও ২৬৫ রান করে ম্যাচ টাই করে। ফলে ফল নির্ধারণের জন্য সুপার ওভারের আয়োজন করা হয়।
মাঠের ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন বৈভব

সেখানে ভারত ১৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১০ রান তুলতে সক্ষম হয়। বৈভব ৩ বলে ৭ রান করলেও দলকে জয়ের পথে নিয়ে যেতে পারেননি। খেলা শেষ হওয়ার পর শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটাররা জয় উদযাপন করছিলেন। সেই সময় মাঠে কিছু মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দুই দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয় বলে জানা যায়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং বৈভবকে কয়েকজন প্রতিপক্ষ ক্রিকেটারের সঙ্গে তর্কে জড়াতে দেখা যায়। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ধাক্কাধাক্কির দৃশ্যও নজরে এসেছে।
Read More: ম্যাচের উত্তাপে ফুঁসছেন বৈভব সূর্যবংশী! মাঠেই শ্রীলঙ্কার খেলোয়াড়দের সাথে ধাক্কাধাক্কিতে চড়ল পারদ
ঘটনার পর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হতে পারে বলে ক্রিকেট মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এদিকে চলতি সিরিজে বৈভবের পারফরম্যান্সও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। প্রথম তিন ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ যথাক্রমে ১৪, ৪৪ এবং ২১ রান। প্রতিভাবান এই তরুণের কাছ থেকে বড় ইনিংসের অপেক্ষায় রয়েছেন সমর্থকরা। তবে শ্রীলঙ্কান খেলোয়াড়দের সঙ্গে বৈভবের এমন আচরণ অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না। অনেকের মতে এত অল্প বয়সে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়া ও হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছানো একেবারেই উচিত নয়।
বৈভবের সমর্থনে তাঁর কোচ

অন্যদিকে বৈভবের কোচ অবশ্য তাঁকে সমর্থন করেছেন। তাঁর মতে শুরু থেকেই বৈভবকে স্লেজিং ও কটু কথা বলছিল শ্রীলঙ্কার খেলোয়াড়রা। তাঁর দাবি, “বৈভবকে আমি ছোট থেকেই চিনি। ম্যাচ চলাকালীন শ্রীলঙ্কান খেলোয়াড়রা তাঁকে বারবার কটূক্তি করছিল। অনেক্ষন শান্ত থাকার পরেই সে প্রতিক্রিয়া দেখায়। পুরো ঘটনা না জেনে বিচার করা উচিত নয়।“