চলতি আইপিএলে প্লে-অফে ওঠার শেষ সুযোগ এখন কলকাতা নাইট রাইডার্সের সামনে। রবিবার গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে তারা মুখোমুখি হবে দিল্লি ক্যাপিটালসের। সেই ম্যাচে জিততেই হবে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে (KKR), তবেই প্লে-অফের আশা বেঁচে থাকবে তাদের। তবে শুধু নিজেদের ম্যাচ জিতলেই সব কিছু নিশ্চিত নয়। কেকেআরের ভাগ্য অনেকটাই নির্ভর করছে রাজস্থান রয়্যালস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ম্যাচের ফলের ওপর। সেই ম্যাচে যদি রাজস্থান জেতে, তাহলে তাদের প্লে-অফে ওঠা নিশ্চিত হয়ে যাবে এবং কেকেআরের জন্য রাতের ম্যাচের আর কোনও গুরুত্ব থাকবে না।
রাজস্থানের প্লে-অফ খেলার সম্ভাবনা প্রবল

অন্যদিকে, যদি রাজস্থান হেরে যায়, তাহলে কেকেআর জিতলে শেষ দল হিসেবে প্লে-অফে যাওয়ার সুযোগ থাকবে, আর চতুর্থ দল ঠিক হবে শেষ গ্রুপ ম্যাচেই। আইপিএলের শেষ পর্যায়ে এসে কলকাতা নাইট রাইডার্স এর অবস্থা এখন এমন পর্যায়ে দাঁড়িয়ে আছে যে প্লে অফে যাওয়ার জন্য পুরোপুরি এখন তারা অন্য দলের ওপর নির্ভরশীল। প্রথম থেকে টানা ছয়টি ম্যাচ হেরে তারা কার্যত পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে ঠেকে ছিল। সেখান থেকে ফিরে এসে আবার প্লে অফ এর লড়াইয়ে নেমেছে। কিন্তু এখন তাদের শুধু ম্যাচ জিতলেই হবে না চোখ রাখতে হবে রাজস্থান রয়্যালস বনাম মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচের দিকে। প্রসঙ্গত, রবিবার দুপুরে যদি রাজস্থান ম্যাচ জিতে যায় তাহলে সন্ধ্যেবেলা কলকাতা ম্যাচে নামার আগেই প্লে অফ থেকে ছিটকে যাবে।
Read More: IPL’এর মধ্যেই ব্যাট হাতে ফিরলেন সৌরভ, সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে হইচই ফেলে দিলেন মহারাজ !!
এই পরিস্থিতিতে কলকাতার কোচ অভিষেক নায়ার বলেন, “যা আমাদের হাতে নেই তা নিয়ে ভেবে কি হবে? অন্য দলের দিকে তাকিয়ে নিজেদের খেলা নষ্ট করতে চায়না আমরা।” অন্যদিকে পাঞ্জাব কিংস লখনৌ সুপার জায়েন্টস কে হারিয়ে পরিস্থিতি আরো জটিল করে ফেলেছে। তারা শুধু জিতেই থেমে থাকে নি, নেট রান রেট আরো বেড়ে গিয়েছে। বর্তমানে পাঞ্জাবের রান নেট +০.৩০৯, যেখানে কেকেআরের +০.০১১। ফলে সমীকরণটা আরো জটিল হয়ে গিয়েছে। সেক্ষেত্রে দিল্লি যদি আগে ব্যাট করে ১৮০ রান তোলে তাহলে কলকাতাকে ১২ ওভারের মধ্যে সেটা শেষ করার চেষ্টা করতে হবে। আর যদি কলকাতা আগে ব্যাট করে অন্তত ২০০ রান তোলে তাহলে তাদের জিততে হবে অন্তত ৭৭ রানে।
চিন্তার ভাঁজ KKR শিবিরে

অন্যদিকে, কলকাতার বরুণ চক্রবর্তী দলের জন্য অনুপ্রেরণা। চোট থাকা সত্ত্বেও সে মাঠে নেমে তার মানসিক দৃঢ়তার পরিচয় দিয়ে বোলিং করে আসছেন তিনি। দলের প্রধান কোচ অভিষেক নায়ার (Abhishek Nayar) এই প্রসঙ্গে বলেছেন যে, অনেকেই চোট লুকিয়ে খেলে, কিন্তু বরুনের ক্ষেত্রে সেটা সম্ভব নয় ও তাও খেলছে। অন্যদিকে কেকেআরের জন্য বড় বিপদ হয়ে এসেছে মিচেল স্টার্ক (Mitchell Starc)। গত মৌসুমে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কেকেআর কে জিতিয়ে দেওয়া ক্রিকেটারই এখন তাদের প্রতিপক্ষ। দিল্লির কোচ ইয়ান বেল বলেছেন, “স্টার্ক কলকাতায় খেলতে খুব পছন্দ করে। কলকাতার পিচ সম্পর্কে ওর ধারণা অসাধারণ। এই ম্যাচটা জিততে ও খুবই মরিয়া।“