আইপিএল ২০২৬-এ (IPL 2026) মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের জন্য সময়টা একেবারেই ভালো যাচ্ছে না। হার্দিক পান্ডিয়ার (Hardik Pandya) নেতৃত্বে দলটি শুরু থেকেই ছন্দ খুঁজে পাচ্ছে না। KKR’এর বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ জয়ের পর টানা চারটি হারের ধাক্কায় আত্মবিশ্বাস তলানিতে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের। আর তার মধ্যেই সবচেয়ে বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন দলের প্রধান অস্ত্র জসপ্রিত বুমরাহ (Jasprit Bumrah)। পাঁচটি ম্যাচ খেলে এখনও পর্যন্ত তিনি একটি উইকেটও সংগ্রহ করতে পারেননি, যা মুম্বাই শিবিরের জন্য বড় ধাক্কা। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে ম্যাচে মুম্বাই প্রথমে ব্যাট করে তোলে ১৯৫ রান। কুইন্টন ডি ককের দুর্দান্ত অপরাজিত শতরান (১১২*) দলের লড়াইয়ের ভিত গড়ে দেয়। তবে বোলিংয়ে সেই ছাপ রাখতে ব্যর্থ হয় দল। এদিন, বুমরাহ চার ওভারে ৪১ রান খরচ করলেও উইকেটশূন্য থাকেন, ইকোনমিও ছিল ১০-এর ওপরে।
মুম্বই শিবিরে ফাটল

ম্যাচ চলাকালীন একটি মুহূর্ত বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। বুমরাহর ওভারে হার্দিক পান্ডিয়াকে ফিল্ডিং সেটিং নিয়ে বেশ উত্তেজনা দেখা গিয়েছে। হার্দিক ফিল্ডিং পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিলেও বুমরাহ প্রথমে তাতে সাড়া দেননি। যদিও পরে হাত তুলে সম্মতি জানান, তবুও সেই মুহূর্ত ঘিরে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। ক্যামেরায় রোহিত শর্মাকেও কিছুটা উদ্বিগ্ন দেখায়, যা পরিস্থিতিকে আরও আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসে। আসলে, পাওয়ার প্লের ভিতরে যখন হার্দিক পান্ডিয়া বোলিং করছিলেন তখন পাঞ্জাব দলের ব্যাটসম্যান প্রভশিমরণ সিংয়ের ক্যাচ ফেলেছিলেন বুমরাহ।
আর সেই প্রভশিমরণ মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে জয়ের অন্যতম নায়ক। শুধু বুমরাহ নন, অন্য বোলাররাও সেদিন ব্যর্থ হন। দীপক চাহার ২.৩ ওভারে ৪৫ রান দিয়ে উইকেটহীন থাকেন। হার্দিক নিজেও তিন ওভারে ৩৯ রান দেন। শার্দুল ঠাকুর একটি উইকেট পেলেও তিন ওভারে ৪২ রান খরচ করেন। ফলে প্রতিপক্ষ সহজেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। এই অবস্থায় পয়েন্ট টেবিলেও মুম্বাইয়ের অবস্থান নবম পর্যায়ে। পাঁচ ম্যাচে মাত্র একটি জয়, ২ পয়েন্ট এবং -১.০৭৬ নেট রান রেট নিয়ে তারা এখন নবম স্থানে রয়েছে।