IPL 2026: আইপিএলের শেষ পর্যায়ে এসে বিরাট কোহলি এবং ট্রাভিস হেডের মধ্যে যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল তা শুধুমাত্র মাঠের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। বরং ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতিটি কোণে কোণে। হায়দ্রাবাদের রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে হায়দ্রাবাদ বনাম ব্যাঙ্গালোর ম্যাচে ঘটনাটি ঘটে। শিবাং কুমারের একটি ওভারে ভেঙ্কটেশায় আর আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। সেই উত্তেজনার মধ্যেই বিরাট কোহলি এবং ট্রাভিস হেডের মধ্যে কিছু কথা কাটাকাটি শুরু হয়। যা প্রতিযোগিতারই অংশ বলে ধরা হয়। তার কিছুক্ষণের মধ্যে এই মাত্র ১৫ রান করে বিরাট কোহলি আউট হয়ে যান। তারপর হেড বল করতে এসে রজত পাটিদারের মতো একজন গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। হায়দ্রাবাদ পঞ্চান্ন রানে ম্যাচ জিতে যায় যা তাদের পক্ষে একটা বিশাল জয়। কিন্তু আসল বিতর্ক শুরু হয় ম্যাচ শেষে।
প্রতিযোগিতার শেষে যখন খেলোয়াররা একে অপরের প্রতি হাত মেলান তখন কোহলির ট্রাভিস হেডকে সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে গিয়ে অন্যান্য খেলোয়াড়দের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই হাত মেলাতে থাকে। আর এই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল পরিমাণে ভাইরাল হয়ে যায়। এখন অনেকের কাছেই প্রশ্ন যে বোর্ড এই বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত কেন নেয় নি? আসলে ম্যাচ শেষে হাত মেলানো টা কোন নিয়মের মধ্যে পড়ে না। অতীতে এরকম বহু ঘটনা ঘটেছে যেখানে খেলোয়াড়রা পরস্পরের মধ্যে হাত মেলান নি।
Read More: আবারও ‘নো হ্যান্ডশেক’ বিতর্ক! পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানে টিম ইন্ডিয়া
হ্যান্ডশেক বিতর্কে ক্লিনচিট বিরাটের

বিশেষ করে ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচে রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে প্লেয়াররা একে অপরের সঙ্গে হাত মেলান নি। তাই বিরাট কোহলির ক্ষেত্রে ও একই নীতি অনুসরণ করা হয়েছে। অন্যদিকে এই ঘটনার পর থেকে ট্রাবিস হেডের স্ত্রী এবং তার পরিবারকে লক্ষ্য করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয় ট্রলিং এবং হেনস্থা করা। জেসিকা হেড নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান যে শুধুমাত্র তারাই নন তার বন্ধু এবং পরিবার পরিজন সকল কেই অশালীন বার্তা পাঠানো হচ্ছে। যা তাদের মানসিকভাবে অস্বস্তিতে ফেলেছে। এই পরিস্থিতিতে বিরাট কোহলির কোনো শাস্তি হবে না বলেই দাবি জানাচ্ছে ক্রিকেট ভক্তরা। অন্যদিকে গতকাল গুজরাট টাইটান্সকে হারিয়ে ফাইনালের যোগ্যতা অর্জন করে নিয়েছে আরসিবি। টানা দ্বিতীয় বারের জন্য ফাইনালে পৌঁছে গেল পতিদার ব্রিগেড।