BCCI: ক্রিকেট এখন আর জাতীয় দলের সীমাবদ্ধতায় আটকে নেই। বরং ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ গুলোতে ক্রিকেটাররা তাদের নতুন ক্যারিয়ার শুরু করছেন। ভারতীয় ক্রিকেটে ও এই প্রবণতা ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বিজয় শংকরের (Vijay Shankar) নাম উঠে আসছে। তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়ে শ্রীলংকার লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে ক্যান্ডি রয়েলসের হয়ে খেলতে যাচ্ছেন। একইভাবে কেএস ভরত ৩২ বছর বয়সে অবসর নিয়েছেন। এছাড়াও যুবরাজ সিং, দীনেশ কার্তিকদের মতো খেলোয়াররা একই পথে হেঁটেছিলেন। ফলে এই বিষয় নিয়ে বেশ চিন্তিত বিসিসিআই (BCCI)।
বিদেশি লীগ খেলা নিয়ে নতুন নিয়ম BCCI’এর

বোর্ড মনে করছে যদি এইরকম ভাবে চলতে থাকে তাহলে দেশের ক্রিকেট পরিকাঠামো ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়বে। তাই তারা একটি কঠোর নিয়ম চালু করার কথা ভাবছে। পাঁচ বছরের কুলিং অফ পিরিয়ড, অর্থাৎ কোন ক্রিকেটার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর সরাসরি বিদেশের দিকে খেলতে যেতে পারবে না। তাকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। বোর্ডের এক কর্তা জানিয়েছেন, “আমাদের উদ্দেশ্য খেলোয়াড়দের বাধা দেওয়া নয়, বরং তারা অবসর নেওয়ার আগে আরও ভালোভাবে চিন্তা করেন।” অর্থাৎ বোর্ডের মূল উদ্দেশ্য হলো ক্রিকেটারদের তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত রাখা। যদি অবসর নেওয়ার পরেই বিদেশের দিকে খেলার সুযোগ বন্ধ থাকে তাহলে খেলোয়াড়রা হয়তো তাড়াহুড়ো করে এমন সিদ্ধান্ত নেবেন না।
Read More: আফগানিস্তান সিরিজের আগে BCCI’র মাথাব্যথা, ছিটকে গেলেন দলের সবচেয়ে বড় তারকা!
দেশের ক্রিকেট কাঠামো শক্তিশালী রাখতে এবং জাতীয় দলের প্রতি দায়বদ্ধতা রাখার জন্যই বোর্ডের এমন পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত বিসিসিআই (BCCI) কি সিদ্ধান্ত নেয় সেটাই এখন দেখার বিষয়। সবার নজর এখন বোর্ডের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে। অন্যদিকে বিজয় শংকর আইপিএল ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতের হয়ে গুটিকয়েক ম্যাচ খেলেছেন। ১২টি ওডিআই, ৯টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন বিজয়। তাছাড়া আইপিএলের মঞ্চে ৭৮টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ৭৮টি আইপিএল ম্যাচে ২৬.২৩ গড়ে এবং ১২৯.৭৯ স্ট্রাইক রেটে ১২৩৩ রান বানিয়েছেন সাথে নিয়েছেন ৯ উইকেট।