মাঠ ছাড়তে হয়েছে সতীর্থদের কাঁধে ভর দিয়ে, গুরুতর চোটে জর্জরিত বৈভব সূর্যবংশী !! 1

আইপিএল মানেই আবেগ উত্তেজনা আর হতাশায় ভরা। শনিবারের ম্যাচটি ছিল রাজস্থান প্রেমীদর জন্য একপ্রকার হতাশাই বটে। ব্যাট হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে মাত্র ৩৭ বলে ১০৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেও শেষ হাসি হাসতে পারল না বৈভব সূর্যবংশীর দল। ২২৮ রানের বিশাল স্কোর তাঁরা করে সহজে জয় সুনিশ্চিত করে নিয়েছিল। তবে, মাত্র ১৫ বছর বয়সী বৈভবের পারফরমেন্স ছিল অত্যন্ত চমকপ্রদ। বোলারদের ওপর কোনো রকম চাপ না নিয়ে উল্টে তাদেরই চাপে ফেলে দেন তিনি। মাঠের চারদিকে শট খেলে দর্শকদের মন জয় করেন। কিন্তু এই উজ্জ্বল পারফরমেন্স এর মধ্যেই আসে অন্ধকার মুহূর্ত। ফিল্ডিংয়ের সময় আচমকা থেমে যান বৈভব। বাউন্ডারি লাইনের দিকে দৌড়তে গিয়ে পায়ের হ্যামস্ট্রিং চেপে ধরে বসে পড়েন। রাজস্থানের গরম আবহাওয়ায় এমনটা হওয়া স্বাভাবিক। তবে, হ্যামস্ট্রিং সমস্যা হওয়ার পর বেশ যন্ত্রণায় দেখা গিয়েছিল বৈভবকে।

গুরুতর চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেন বৈভব

বৈভব
Vaibhav Suryavanshi | Image: Twitter

তাঁর চেহারা দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল, যে বিষয়টি সাধারণ নয়। পরিস্থিতি বুঝে সঙ্গে সঙ্গে মাঠে ছুটে আসেন চিকিৎসকরা। তাঁরা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিছুক্ষণ চিকিৎসার পর বৈভবকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তিনি নিজে হাঁটতে পারছিলেন না, সহযোগীদের কাঁধে ভর দিয়েই বেরোতে হয় তাঁকে। এই পরিস্থিতিতে ম্যাচ শেষে মুখ খোলেন দলের ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোর। তিনি বলেন, “বৈভব হ্যামস্ট্রিংয়ে অস্বস্তি অনুভব করছিল। মেডিক্যাল টিম সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিয়েছে। এখন অনেকটাই ভালো আছে। তবে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে দু-এক দিন সময় লাগবে।

তার কথায় একটু আশ্বস্ত হওয়া গেলেও পুরোপুরি নিশ্চিন্ত হওয়া যাচ্ছে না। তাই বিষয় টা নিয়ে অবহেলা করা একদমই উচিত নয়। সুতরাং একদিকে অসম্ভব ঝড়ো ইনিংস অন্যদিকে হ্যামস্ট্রিং চোট এই দুয়ের মিশেলে কাটলো বৈভবের শনিবারের দিন। চলতি আইপিএলে অনবদ্য ছন্দে রয়েছেন বৈভব। ৮টি ম্যাচে ৪৪.৬৩ গড়ে এবং ২৩৪.৮৭ স্ট্রাইক রেটে ৩৫৭ রান বানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, বৈভবের ব্যাট থেকে এসেছে ২টি অর্ধশতরান এবং ১টি শতরান। বৈভব পরের ম্যাচে উপলব্ধ থাকবেন কিনা তা স্পষ্ট জানা নেই।

Read Also: কাজে এল না পান্থের লড়াই, সুপার ওভারে রিঙ্কু-নারিনের ম্যাজিকে দুরন্ত জয় KKR’এর !!

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *