IPL 2026: আইপিএল মানেই কোটি কোটি টাকার লেনদেন। প্রায় শেষের পথে চলে এসেছে এবারের আইপিএল। আর এই চলতি আইপিএল যত জমে উঠেছে ততই টিকিট কালোবাজারির মত কেলেঙ্কারি বড় ধরনের প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে। আইপিএলের মতন মঞ্চে ঝলমলে দুনিয়ার পিছনে যে অন্ধকার দিকটি রয়েছে তা এই ঘটনার মাধ্যমে আবারও প্রমাণ হয়ে গেল। সম্প্রতি দিল্লি ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের অভ্যন্তরে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে তা প্রকাশ্যে চলে এসেছে। আইপিএল চলাকালীন দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামের বাইরে টিকিট কালোবাজারি বিক্রির অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সূত্রের দাবি, চড়া দামে টিকিট বিক্রির দায়ী গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের। এই ঘটনার পর স্পষ্টতই প্রশ্ন উঠে যে তারা এই টিকিট বা পাস পেল কোথা থেকে?
ডিডিসিএ এর পরিচালক শ্যাম শর্মা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, “অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সদস্যদের যে ৫০ বা ১০০টি পাসের বান্ডিল দেওয়া হয়, তা অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত।” এই পাসগুলোর একটি বড় অংশ সদস্যদের আত্মীয়স্বজন বা পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা হয়। এবং সেটি কালোবাজারিদের হাতে পৌঁছে যায় পরে সেটা বেশি দামে বিক্রি করা হয়। শ্যাম শর্মা বলেন, “আমাদের এই টিকিটগুলো আমরা বন্ধু বা আত্মীয়দের দিই। কিন্তু এটা লজ্জার বিষয় যে কেউ এগুলো বাইরে বিক্রি করে দেবে।” সূত্রের দাবি টিকিটের ৯ লেখা পাসগুলো কুড়ি হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হয়েছে।
Read More: বাংলাদেশের ম্যাচে রোহিত-গিল! সম্প্রচার বিভ্রাটে হাসির রোল, ঢাকার টেস্টে চাঞ্চল্য
টিকিটে কালবাজারিতে পাকড়াও ৩ অভিযুক্ত

ডিডিসিএ ছাড়াও অন্যান্য সরকারি সংস্থা যেমন পুলিশ, দমকল ইত্যাদি বিভাগেও পাস পায়। সুতরাং এর উৎস নির্ণয় করা খুবই কঠিন কাজ হয়ে পড়ে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এই কাজটি শুধুমাত্র দিল্লিতেই সীমাবদ্ধ ছিল না তারা বিমানে করে অন্যান্য শহরেও যেত এবং সেখানে প্রিমিয়াম টিকিট বিক্রি করতো। শ্যাম শর্মা আরো বলেন যে, “যদি ডিডিসিএ সদস্যরা দুটি করে টিকিট পান তাহলে তারা পরিবারের সঙ্গে খেলা দেখতে যেতে পারবে এবং কালোবাজারি প্রবণতাটাও একটু কমবে।” পুলিশ অভিযুক্তদের কাছ থেকে ৫৪ টি টিকিট ও পাস উদ্ধার করেছে। যেগুলি বহুগুণ বেশি দামে বিক্রি করছিল। সুতরাং এই থেকেই বোঝা যায় যে এটা তাদের পরিকল্পিত একটি ব্যবসা।