একাধিক রাজ্যে বিধানসভা ভোটের মধ্যে এই বছর আইপিএল (IPL 2026) সফলভাবে আয়োজন করা হয়। রাজনৈতিক মহলের বিশেষভাবে নজর ছিল পশ্চিমবঙ্গের দিকে। বাংলায় বিধানসভা ভোটের মধ্যে কলকাতা নাইট রাইডার্সের (Kolkata Knight Riders) ম্যাচগুলি ইডেন গার্ডেন্সে সৌরভ গাঙ্গুলী (Sourav Ganguly) আয়োজন করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। মহারাজ তৃণমূল সরকারের ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলে একাধিক সময় জল্পনা তৈরি হয়েছিল। অন্যদিকে এই বছর বিধানসভা ভোটে বিপুল আসনে জয়লাভ করে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠন করেছে। এর মধ্যেই এবার রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে সৌরভের নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়া হল। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা শুরু হয়েছে।
Read More: মেসির অর্জিত সম্মান মিশল ধুলোয়, কিংবদন্তির স্মৃতি রক্ষা করতে ব্যর্থ কলকাতা !!
নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়া হল-

সৌরভ গাঙ্গুলী ক্রিকেটার হিসাবে ভারতীয় দলে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। অধিনায়ক হিসাবেও দলকে এনে দিয়েছেন একাধিক সাফল্য। বর্তমানে সিএবি প্রধান হিসেবে বাংলা ক্রিকেটের উন্নতির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। এবার মহারাজের নিরাপত্তা কমিয়ে দিল নতুন সরকার। গত তিন বছর ‘জেড ক্যাটেগরি’র নিরাপত্তা পেতেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক। তার নিরাপত্তা দু’ধাপ নামিয়ে ‘ওয়াই ক্যাটেগরি’ করে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে সৌরভ ২০২৩ সালের মে মাস পর্যন্ত ‘ওয়াই ক্যাটেগরি’র নিরাপত্তা পেতেন। কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ’এর তিনজন তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টি দেখতেন। এর মধ্যে দু’জন ছিলেন সশস্ত্র। এরপর মহারাজের নিরাপত্তা ‘জেড ক্যাটেগরি’ করে তৃণমূল সরকার। ফলে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মী বেড়ে ৮ থেকে ১০ জন হয়ে যায়। বাড়িতে নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও পুলিশ মোতায়েন থাকতো। সৌরভের গাড়ির সামনে থাকতো পুলিশের পাইলট কার। এই কারণে মিলিয়ে ভারতের এই কিংবদন্তি ক্রিকেটারের নিরাপত্তায় মতায়েন থাকতো ৩০ থেকে ৩৫ জন পুলিশ।
আইপিএল সেরা ইডেন-

সৌরভ গাঙ্গুলী সামনে থেকে দাঁড়িয়ে থেকে এই বছর ইডেন গার্ডেন্সে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হোম ম্যাচগুলি আয়োজন করেন। ডিজে থেকে লেজার শো ভক্তদের মন মাতিয়েছে। তবে এর মধ্যেও পিচ সহ একাধিক বিষয় নিয়ে সিএবির দিকে আঙ্গুল তোলা হয়েছিল। তবে এই বছর আইপিএলে ইডেন গার্ডেন্স সেরা হওয়ার পর বিস্ফোরক বার্তা দেন। সৌরভ গাঙ্গুলী পোস্টে উল্লেখ্য করেন, “বাসি ফুল বিষয়ের সমস্ত ভুয়ো।
উদ্দেশ্যপ্রণোদিত খবরের মাঝেই ইডেন আইপিএলের সেরা পিচ ও মাঠের পুরষ্কার জয় করেছে। তাই বোঝা যাচ্ছে অনন্ত ক্রিকেটটা তাজা ছিল। ইডেনে ক্রিকেট নিজের মহিমা বজায় রেখেছে। যারা ইচ্ছাকৃতভাবে রাজনৈতি উদ্দেশ্য নিয়ে এই স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করতে চান তাদের কোনো জায়গা নেই। এই অ্যাসোসিয়েশন কোনো ব্যাক্তির থেকেও বড়ো।”