বর্তমানে ডিজিটাল যুগে কোনো খবর ছড়াতে একদমই সময় লাগে না। এই যুগের গতি যেমন দিন দিন বেড়েই চলেছে তেমনই সেই সঙ্গে বাড়ছে ঝুঁকি। আর কোনো খবর প্রকাশ্যে আসতেই তা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে হাজার হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। আর সেই নিয়েই তৈরি হচ্ছে বিতর্ক। সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে এক চাঞ্চল্যকর জল্পনা কে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। এবার বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছেন সাবেক ভারত অধিনায়ক ও বাংলার গর্ব সৌরভ গাঙ্গুলি (Sourav Ganguly)। হঠাৎ করেই রাজনীতির সঙ্গে নাম জড়াতেই খোলসা করে খবরের শিরোনামে উঠে আসলেন সৌরভ গাঙ্গুলি।
প্রসঙ্গত, বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পরা একটা দাবি, যেখানে দাবি করা হয় বহরমপুর লোকসভা আসন থেকে ইউসুফ পাঠানকে (Yusuf Pathan) পদত্যাগ করিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে নির্বাচন লড়তে চান। আরো বলা হয় মমতার এই খবর নাকি ইউসুফ পাঠানের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় নিজেই। আর এই খবর দ্রুতই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে এবং তা প্রকাশ্যে আসতেই শুধু রাজনৈতিক মহলে নয় সাধারণ মানুষের মধ্যেও তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করে।
Read More: ক্যাপ্টেন্সি তো গেলই, ভারতীয় দল থেকেও ছিটকে সূর্যকুমার! আগরকরের ব্যাখ্যায় নতুন বিতর্ক
মমতা-ইউসুফ বিতর্কে মুখ খুললেন সৌরভ

তবে এই সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটান সৌরভ নিজেই। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন যে, এই পুরো ঘটনাই সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন পুরোটাই মনগড়া। তিনি বলেন, “এই প্রতিবেদনে আমাকে নিয়ে যা কিছু বলা হয়েছে তার কোন সত্যতা নেই।” সৌরভ আরও বলেন যে, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোন রকম ভাবেই আমাকে ইউসুফ পাঠান কে পদত্যাগ করার বার্তা দিতে বলেননি। আমিও ইউসুফ পাঠানোর কাছে এমন ধরনের কোন বার্তা নিয়ে যায়নি। আমি জীবনে কোনদিন কোন রাজনৈতিক কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত থাকে নি।“
সৌরভের এই মন্তব্য থেকেই বোঝা যায় যে এই ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সৌরভ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “এমন ধরনের কোন তথ্য প্রকাশ করার আগে সেটার সত্যতা যাচাই করা উচিত ছিল। কোন খবর প্রকাশ করা একদমই উচিত নয়।” অর্থাৎ কোনো খবর প্রকাশ্যে আসতেই সেটার সত্যতা যাচাই করে নেওয়া অবশ্যই জরুরি। দাদা সবসময় রাজনীতি থেকে নিজেকে দূরে রেখেছেন, তবে রাজনৈতিক মহলে সকল হেভিওয়েট নেতাদের সঙ্গে তাঁকে দেখতে পাওয়া যায়।