টি-টোয়েন্টি মুম্বই লিগ ২০২৬-এর ফাইনালে শুধু ক্রিকেট নয়, ম্যাচের শেষদিকে দেখা গেল উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডার ঘটনাও। শনিবার মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে একাধিক ক্রিকেটারের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যার ভিডিও ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। প্রসঙ্গত, ম্যাচের ১৯তম ওভারে ঘটনাটির সূত্রপাত। আরসিএস আন্ধেরির ব্যাটার গৌরব জাঠার, ইরফান উমায়েরের বলে একটি বিশাল ছক্কা হাঁকিয়ে দলের জয়ের আশা জিইয়ে রাখেন। তবে পরের বলেই এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে যেতে হয় তাঁকে। ১৭ বলে ২৩ রান করে আউট হওয়ার পর জাঠারকে বেশ ক্ষুব্ধ দেখায় এবং সেই সময় মাঠেই তাঁর সঙ্গে কথাকাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন এমএসসি মারাঠা রয়্যালসের অধিনায়ক তথা ভারতীয় পেসার তুষার দেশপাণ্ডে (Tusar Deshpande)।
মুম্বই টি-টোয়েন্টির ফাইনালে বচসা

পরিস্থিতি জটিল হওয়ার আগেই আম্পায়ার এবং অন্যান্য ক্রিকেটাররা হস্তক্ষেপ করে বিষয়টি সামাল দেন। কিন্তু সেখানেও উত্তেজনার ইতি ঘটেনি। কিছুক্ষণ পর আন্ধেরি দলের ডাগআউটের সামনেও দুই পক্ষের সদস্যদের মধ্যে নতুন করে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। সেই সময় ডাগআউটে উপস্থিত ছিলেন দলের অধিনায়ক শিবম দুবে ও অন্যান্য সতীর্থরা। পরে উভয় দলের সাপোর্ট স্টাফ এবং ক্রিকেটাররা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। যদিও এই বিতর্ক ম্যাচের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে, শেষ পর্যন্ত শিরোপা জেতে এমএসসি মারাঠা রয়্যালস। তারা আট রানে হারায় আরসিএস আন্ধেরিকে।
দলের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তুষার দেশপাণ্ডে। সিদ্ধেশ লাড চোট পেয়ে মাঠ ছাড়ার পর নেতৃত্বের দায়িত্ব নেন তিনি। বল হাতেও দারুণ পারফরম্যান্স করে শিবম দুবে ও দিব্যাংশ সাক্সেনার উইকেট তুলে নেন। পুরো টুর্নামেন্টে ১২টি উইকেট নিয়ে তিনি জিতে নেন পার্পল ক্যাপ। ম্যাচ শেষে তুষার বলেন, মুম্বই ক্রিকেটের শক্তিশালী বেঞ্চই এই প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বড় সম্পদ। তাঁর মতে, ক্লাব ক্রিকেট থেকে উঠে আসা তরুণ ক্রিকেটাররা বড় মঞ্চে খেলতে ভয় পায় না এবং নিজেদের প্রতিভা প্রমাণ করতে সবসময় প্রস্তুত থাকে। তবে কালকের ঘটনাটি ক্রিকেট মাঠে এক লজ্জাজনক ঘটনা।