ক্রিকেট মানেই প্রতিযোগিতার লড়াই। বিশেষ করে উইকেট রক্ষক এবং ব্যাটসম্যানদের পজিশনে এই প্রতিযোগিতা সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ছে। বিশেষ করে ঋষভ পন্থের (Rishabh Pant) সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর এই আলোচনা আরো তীব্র হয়েছে। এক সময় দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল ঋষভ পন্থ। এখন সেই জায়গাটাই টিকে থাকার জন্যই লড়াই চালাতে হচ্ছে তাকে। বর্তমানে আইপিএলে তার পারফরম্যান্স সকলকে চিন্তিত করে তুলেছে। আটটি ম্যাচে মাত্র ১৮৯ রান, গড় ২৭ – এই পরিসংখ্যান একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যাটসম্যানের জন্য যথেষ্ট নয়। চোট থেকে ফেরার পর তিনি এখনও নিজের পুরনো ছন্দে ফিরতে পারেননি। তার ব্যাটিংয়ে আগের মতো আত্মবিশ্বাসের ছাপ দেখা যাচ্ছে না।
ওডিআই দল থেকে বাদ পড়ছেন পন্থ

এই সুযোগেই উঠে এসেছে সঞ্জু স্যামসনের নাম। আইপিএলে তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং ধারাবাহিক রান তাকে নির্বাচকদের চোখে বিশেষ জায়গা করে দিয়েছে। তিনি এখন শুধু বিকল্প নন, বরং শক্তিশালী দাবিদার। সঞ্জুর ব্যাটিংয়ে পরিণত ভাব এবং ধারাবাহিকতা অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে। মাত্র ৮ ম্যাচে ৩০৪ রান তার মধ্যে রয়েছে দুইটি শতক। ওডিআই ক্রিকেটেও তার রেকর্ড যথেষ্ট শক্তিশালী। ১৬টি ম্যাচে ৫১০ রান, গড় ৫৬.৬৭ -এই পরিসংখ্যানই বলে দেয় তিনি কতটা কার্যকর ব্যাটসম্যান। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তার ১০৮ রানের ইনিংস তার প্রতিভার একটি বড় উদাহরণ। অন্যদিকে কেএল রাহুল তার স্থির পারফরম্যান্স এবং একজন নির্ভরযোগ্য ব্যাটার হিসেবে প্রথম থেকেই তিনি সকলের পছন্দ হিসেবেই রয়েছেন।
ফলে দ্বিতীয় উইকেট রক্ষকের জায়গাটা নিয়েই সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয়। ধ্রুব জুড়েলের মতো তরুণ খেলোয়াড়ও এই দৌড়ে রয়েছে, কিন্তু বর্তমানে স্যামসনই সবচেয়ে এগিয়ে। ২০২৭ সালের ওডিআই বিশ্বকাপ আপাতত বর্তমানে ভারতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে প্রধান নির্বাচক অজিত আগারকার এবং প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর এখন থেকে এই দল গঠনের কাজে নেমে পড়েছেন। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী দিনে ভারতকে প্রায় ২০টি ওডিআই ম্যাচ খেলতে হবে। আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে সিরিজ এবং ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড সফর।