চলতি মাসের শেষেই সমাপ্ত হতে চলেছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (IPL 2026)। লীগের ফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে বেশ বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ২০২৬ আইপিএল মৌসুমে ফাইনালের ভেন্যুকে কেন্দ্র করে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, সম্প্রতি সেই বিতর্ক যেন ক্ষোভে পরিণত হয়েছে। বেঙ্গালুরুর হাত থেকে ফাইনাল কেড়ে নিয়ে সেটি আমেদাবাদে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। যা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বোর্ড অফ কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (BCCI) ঘোষণায় বলা হয়েছে ২০২৬ আইপিএল ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৩১শে মে আমেদাবাদে নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে।
কিন্তু এই সিদ্ধান্তে মোটেই খুশি নয়, কর্নাটক ক্রিকেট এসোসিয়েশন (KCA)। তাদের মতে এই সিদ্ধান্ত একেবারেই অযৌক্তিক। সাধারণত আইপিএল এর ফাইনাল নির্ধারিত হয় গত মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন দলের হোম গ্রাউন্ড অনুযায়ী। সেই অনুযায়ী রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালোরের ঘরের মাঠ চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ফাইনাল হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই তা পরিবর্তন হয়ে নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়া হয়। এই যুক্তি অনেকের কাছে সঠিক বলে মনে হয়নি।
Read More: RCB ম্যাচের আগে মুম্বাই শিবিরে বড় বদল, অধিনায়ক হিসেবে ফিরছেন রোহিত শর্মা !!
আবারও আহমেদাবাদে বসছে ফাইনালের আসর

কারণ ব্যাঙ্গালোর এর আগে বহুবার প্রমাণ করেছে যে তারা বড় ম্যাচ আয়োজন করতে সক্ষম। চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচগুলোতে দর্শকদের উন্মাদনা এবং ব্যবস্থাপনা সবদিক থেকেই প্রশংসিত পেয়েছে। তাহলে হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত কেন? এই প্রশ্নের উত্তরে উঠে এসেছে এর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। কর্নাটকের কয়েকজন বিধায়ক প্রকাশ্যে দাবি করেন যে তাদের প্রত্যেককে একাধিক ভিআইপি টিকিট দিতে হবে। এই দাবি ক্রিকেট প্রশাসনের নিয়মের বাইরে।
যদিও ডিকে শিবকুমার এই দাবি কিছুটা কমানোর চেষ্টা করেন কিন্তু তাতে কোন লাভ হয়নি। এই প্রসঙ্গে প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার ভেঙ্কটেশ প্রসাদ এর নামও উঠে আসে, যিনি কর্নাটক ক্রিকেট সংস্থার সভাপতি হিসেবে বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন। কিন্তু তারপরেও ম্যাচ আমেদাবাদের স্থানান্তরিত করা হলো। অন্যদিকে বারবার সমস্ত বড় ধরনের ম্যাচ আমেদাবাদে অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে ও বিতর্ক রয়েছে। যার ফলে অন্য শহরগুলো বঞ্চিত হচ্ছে।