IPL 2026: এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু এবং গুজরাট টাইটান্স (RCB vs GT)। প্রথমে ব্যাটিং করতে এসে গুজরাট টাইটান্স নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ২০৫ রান বানায়। গুজরাটের পক্ষে ৫৮ বলে দুরন্ত সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন সাই সুদর্শন (Sai Sudharsan)। তার সঙ্গে ওপেনিং জুটিতে শুভমান গিল (Shubman Gill) ২৪ বলে ৩২ রান যোগ করেন। মাঝের দিকে জস বাটলার দ্রুত ২৫ রান করেন, আর শেষে ওয়াশিংটন সুন্দর ও জেসন হোল্ডার ক্যামিও ইনিংস খেলেন। তবে, চিন্নাস্বামীর এই পিচে এই রান যথেষ্ঠ ছিল না। আরসিবি যে ছন্দে রয়েছে তাতে তাদেরকে ঘরের মাঠে হারানো সহজ নয়।
মৌসুমের পঞ্চম জয় ছিনিয়ে নিলো RCB

রান তাড়া করতে এসে, গোল্ডেন ডাকে আউট হওয়ার সম্ভাবনা ছিল কোহলির। তবে সহজ একটি ক্যাচ ছেড়ে দেন ওয়াসিংটন সুন্দর। আর সেই ক্যাচ ফেলতেই সমস্যায় পড়ে যায় গুজরাট। শুরুতে অবশ্য জেকব বেথালকে ১৪ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরিয়েছিল গুজরাট। তবে, বিরাট কোহলি ও দেবদত্ত পাড্ডিকালের ইনিংস ম্যাচের রূপ বদলে দেয়। পাড্ডিকাল দ্রুত ৫৫ রানের ইনিংস খেলেন। অন্যদিকে জীবনদান পাওয়ার পর বিরাট কোহলি ৮১ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলেন। মাঝের ওভারে কয়েকটি পরপর উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল আরসিবি। তবে ক্রুনাল পান্ডিয়ার ১২ বলে ২৩ রানের ক্যামিও আরসিবিকে নির্ধারিত রানে পৌঁছাতে সাহায্য করে। ১৮.৫ ওভারে ৫ উইকেটে ২০৬ রান তুলে ফেলেছিল বেঙ্গালুরু। গুজরাটের হয়ে রশিদ খান দুটি উইকেট নেন, তবে তা যথেষ্ট ছিল না। আজকের জয়ের পর সমাজ মাধ্যমে বেশ চর্চা শুরু হয়েছে।
এক ভক্ত লিখেছেন, “তাহলে কোহলি অবশেষে ২৪ এপ্রিল রান করেছে।” এক ভক্ত লিখেছেন, “সুন্দরকে দল থেকে বাদ দেওয়া উচিত, ওর মতন বাজে ফিল্ডার নেই।” আর এক ভক্ত লিখেছেন, “এভাবে খেলতে থাকলে গুজরাতকে আর ট্রফি জিততে হবেনা।” অন্য এক ভক্তের দাবি, “বিরাট কোহলি দম নিতে নিতেই রেকর্ড গড়ে ফেলেন।” আর এক ভক্ত লিখেছেন, “কোহলির মধ্যে দায়িত্ব জ্ঞান প্রচুর।”