প্রতি বছর আইপিএলে (IPL 2026) কলকাতা নাইট রাইডার্সের (Kolkata Knight Riders) মতো দল আলোচনায় থাকে। এই বছর আজিঙ্কা রাহানের (Ajinkya Rahane) নেতৃত্বে নাইট বাহিনী একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে হারের সম্মুখীন হয়ে যাত্রা শুরু করেছিল। এইরকম পরিস্থিতিতে চাপের মুখে দাঁড়িয়ে শেষ ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে কলকাতা। অন্যদিকে বিধানসভা ভোটের আবহে সফলতার সঙ্গে ইডেন গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত হচ্ছে নাইটদের হোম ম্যাচগুলি। এর মধ্যেই এবার এই দলের ট্রফি জয়ী তারকার শ্বশুর এবং শ্যালক ঝামেলায় জড়িয়ে গ্ৰেফতার হলেন। যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে তুমুল চর্চা।
Read More: IPL’এর উন্মাদনার মাঝে দুঃসংবাদ, মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন কিংবদন্তি পেসার !!
বিপাকে প্রাক্তন KKR তারকা-

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের প্রচারে বর্তমানে ব্যস্ত রয়েছেন তৃণমূল সাংসদ তথা কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রাক্তন ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান (Yusuf Pathan)। এরমধ্যেই তার শ্বশুর এবং শ্যালক এক ব্যক্তিকে মারধর করে মুম্বাই পুলিশের হাতে গ্ৰেফতার হলেন। শনিবার গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন ইউসুফ খান নামে এক ব্যক্তি। তিনি যাওয়ার সময় তার গাড়ির চাকা জমা জলে পড়ে এবং জল ছিটকে গিয়ে লাগে শোয়েব খান নাম এক ব্যক্তির গায়ে। এই শোয়েব খান হলেন ইউসুফ পাঠানের শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়।
শোয়েব খান এবং ইউসুফ খান তুমুল ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন। অভিযোগ অনুযায়ী এক সময় শোয়েব নাকি বাঁশ দিয়ে ইউসুফের গাড়ির কাঁচ ভেঙে দেন এবং মারধর করেন। এরপরই পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ার চিন্তাভাবনা করে ইউসুফ। তিনি যখন অভিযোগ জানাতে যাচ্ছিলে সেই সময় ইউসুফ পাঠানের শ্বশুর খালিদ খান ইউসুফ এবং তার পরিবারের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন।
উঠেছে গুরুতর অভিযোগ-

অভিযোগ অনুযায়ী ইউসুফ পাঠানের শ্বশুর তার ছেলে উমরশাদ খান, শোয়েব খান এবং অন্য এক অভিযুক্ত শেহবাজ পাঠান মিলে হামলা চালায়। এই ঘটনায় ইউসুফ খান এবং তার পরিবার আহত হয়েছেন বলে খবর সামনে এসেছে। বেসবল ব্যাট এবং বাঁশের লাঠি দিয়ে হামলা করা হয়েছিল। হামলায় ইউসুফের ভগ্নিপতি সালমানের হাত ভেঙে যায় এবং তার কাকা জাকি আহমেদ গুরুতর আহত হয়েছেন। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
তারা সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের থেকে বয়ান রেকর্ড করছেন। মুম্বাই পুলিশের থেকে জানানো হয়েছে শেহবাজ পাঠান বর্তমানে পলাতক। তবে বাকি তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলা হয়। তার মধ্যে রয়েছেন ইউসুফ পাঠানের শ্বশুর এবং শ্যালক। বিচারপতি ২ মে পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।