আইপিএলে (IPL 2026) বর্তমানে প্লে অফের লড়াইয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে প্রতিটি দল। চেন্নাই সুপার কিংস (Chennai Super Kings) টুর্নামেন্টের শুরুর দিকে পিছিয়ে পড়লেও একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে তারা এগিয়ে চলেছে। গতকাল রুতুরাজ গায়কোয়াডরা (Ruturaj Gaikwad) দিল্লি ক্যাপিটালসকে (Delhi Capitals) পরাজিত করে গুরুত্বপূর্ণ ২ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যেই এবার বিসিসিআই (BCCI) এই বছর আইপিএলের ফাইনাল ম্যাচ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে তা নিয়ে শুরু করেছে প্রস্তুতি। এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ফাইনাল হওয়ার কথা থাকলেও রাজনৈতিক চাপে এবার ম্যাচ আয়োজন করতে বিপাকে পড়ছেন কর্মকর্তারা।
Read More: “৫ কোটি চেয়েছিলেন..”, BJP জিততেই পাল্টি খেয়ে তৃণমূলের দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক মনোজ তেওয়ারি !!

গত বছর আইপিএলের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (Royal Challengers Bangaluru) ও পাঞ্জাব কিংস (Punjab Kings)। এই বছরও তারা দুরন্ত ফর্মে রয়েছে। ৯ ম্যাচের মধ্যে ৬ ম্যাচে জয় পেয়েছে পাঞ্জাব। তবে শেষ দুই ম্যাচে হারের সম্মুখীন হয়ে কিছুটা ছন্দ হারিয়েছে শ্রেয়স আইয়াররা (Shreyas Iyer)। অন্যদিকে বেঙ্গালুরুও ৯ ম্যাচের মধ্যে ৬ ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নিয়ে এগিয়ে চলেছে। পিছিয়ে নেই সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ (Sunrisers Haydrabad) ও রাজস্থান রয়্যালসও (Rajasthan Royals)। এরা ১০ ম্যাচে যথাক্রমে ৬ টি করে ম্যাচে জয়লাভ করেছে।
রিয়ান পরাগের (Riyan Parag) নেতৃত্বে রাজস্থান এই বছর নতুন করে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। প্লে অফে দৌড়ে পিছিয়ে নেই গুজরাট টাইটান্স (Gujarat Titans) এবং চেন্নাই সুপার কিংসও (Chennai Super Kings)। শুভমান গিলরা (Shubman Gill) ১২ পয়েন্ট নিয়ে এবং রুতুরাজ গায়কোয়াডরা (Ruturaj Gaikwad) ১০ পয়েন্ট সংগ্রহ করে আশা জাগিয়ে রেখেছেন। উল্লেখ্য কেএল রাহুল (KL Rahul) ১০ ম্যাচে ৪৪৫ রান সংগ্রহ করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারীর তালিকায় শীর্ষে পৌঁছে গেছে। ভুবনেশ্বর কুমার (Bhuvneshwar Kumar) এবং অনশুল কম্বোজ (Anshul Kamboj) ১৭ টি করে উইকেট সংগ্রহ করে পার্পেল ক্যাপের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন।
ফাইনালের ভ্যানু নিয়ে জটিলতা-

গত বছর আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু প্রথমবারের মতো টুর্নামেন্টে ট্রফি জয় করেছিল। বিসিসিআইয়ের নিয়ম অনুযায়ী যে দল শেষ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয় তাদের হোম গ্রাউন্ডে হয় পরবর্তী আইপিএলের ফাইনাল ম্যাচ। ফলে এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে এই বছরের ফাইনাল ম্যাচটি হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু এই ম্যাচ আয়োজন করতে গিয়ে কর্মকর্তারা পড়েছেন বিপাকে। সূত্র অনুযায়ী কর্ণাটকের স্থানীয় বিধায়করা বিপুল পরিমাণ টিকিট দাবি করেছেন।
বিসিসিআই এবং স্থানীয় ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের কাছ থেকে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং প্রভাবশালীরা টিকিটের জন্য চাপ দিচ্ছেন। এই বিপুল পরিমাণ টিকিট কর্মকর্তাদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। অতিথি ও ম্যাচ আয়োজনে ক্ষেত্রে ব্যাঙ্গালুরুতে টিকিট বন্টন নিয়ে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছিল। ফলে পুরো বিষয়টি এড়িয়ে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম, ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম বা ইডেন গার্ডেন্সে ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতে পারে।