বিরাট কোহলি জানালেন কেনো তিনি আজ হার্দিক পান্ডিয়াকে দিয়ে করাননি বোলিং

দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে ভারতীয় দল প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৩৬ রানের স্কোর খাড়া করেছিল। এই লক্ষ্যকে ইংল্যান্ডের দল এই লক্ষ্যকে ৪৩.৩ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে হাসিল করে ফেলেছিল। সেই সঙ্গেই ইংল্যান্ডের দল ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে।এই ম্যাচে দু দলের খেলোয়াড়রাই বেশকিছু দুর্দান্ত আর ইন্টারেস্টিং রেকর্ড গড়েছেন।অধিনায়ক বিরাট কোহলি এই ম্যাচে হারের জন্য বোলারদের দায় করেছেন। তিনি নিজের পোষ্ট ম্যাচ প্রেজেন্টেশনে বলেছেন যে তার দলের স্কোর ঠিক ছিল, কিন্তু বোলিং ভালো ছিল না।

আমার মনে হয় আমাদের ভালো স্কোর ছিল

বিরাট কোহলি জানালেন কেনো তিনি আজ হার্দিক পান্ডিয়াকে দিয়ে করাননি বোলিং 1

ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি নিজের পোষ্ট ম্যাচ প্রেজেন্টেশনে বলেন, “আমার মনে হয় যে আমাএর স্কোর যথেষ্ট ভালো ছিল। যদি আমরা সঠিকভাবে বোলিং করতাম তো খেলায় বজায় থাকতাম আর এটা চ্যালেঞ্জিং স্কোর হত। শুরুতে নতুন বলে আমাদের বোলিং ঠিক ছিল, কিন্তু তাও ওদের ১০০ রানের ওপেনিং পার্টনারশিপ হয়। এটা মানতে হবে যে ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা যথেষ্ট ভালো হিটিং করেছে।

বেন স্টোকস-ব্যারেস্টো দুর্দান্ত পার্টনারশিপ গড়েছেন আর আমাদের কোনো সুযোগ দেননি। আমরা এটা বলতে পারিনা যে মাঠে শিশির পড়েছে। হতে পারে যে উইকেট সামান্য ভালো ছিল কিন্তু এটা কোনো বাহানা নয়। আমরা দুদিন আগেই এর চেয়ে কম স্কোর বাঁচিয়েছিলাম, কিন্তু আজ আমাদের কিছু জিনিসে নিষ্পাদনের অভাব থেকেছে”।

হার্দিকের ওয়ার্কলোড ম্যানেজ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে

বিরাট কোহলি জানালেন কেনো তিনি আজ হার্দিক পান্ডিয়াকে দিয়ে করাননি বোলিং 2

হার্দিক পান্ডিয়াকে বোলিং না করানোর কারণ জানাতে গিয়ে বিরাট কোহলি বলেন, “আমাদের হার্দিক পান্ডিয়ার শরীরের ওয়ার্কলোড ম্যানেজ করার প্রয়োজন রয়েছে। আমাদের এটা বোঝার প্রয়োজন রয়েছে যে আমাদের হার্দিককে প্রয়োজন। টি-২০তে আমরা ওকে ব্যবহার করেছি, কিন্তু ওয়ানডেতে, আমাদের ওর কার্যভার সামলোর প্রয়োজন রয়েছে। আমাদের কাছে ইংল্যান্ডে একটি বড়ো টেস্ট সিরিজ রয়েছে, এই কারণে আমাদের জন্য ওকে ফিট রাখা প্রয়োজন”।

আমি নিজের জীবনে কখনও সেঞ্চুরির জন্য খেলিনি

বিরাট কোহলি জানালেন কেনো তিনি আজ হার্দিক পান্ডিয়াকে দিয়ে করাননি বোলিং 3

বিরাট কোহলি আগে নিজের বয়ানে বলেন, “আমরা দুই উইকেট দ্রুত হারিয়ে ফেলেছিলাম, একটা পার্টনারশিপের দরকার ছিল আর যা কেএল রাহুল আর আমার মধ্যে হয়েছে। কেএল একটা বড়ো স্কোর পেয়েছে, বাস্তবে আমি ওর জন্য খুশি আর তারপ ঋষভও ওখানে খেলাটা বদলে দিয়েছে।আমরা ভেবেছিলাম ৩০০-র চেষ্টা করব, কিন্তু আমরা আরও ৩৫ রান বানিয়ে ফেলেছি। আমি নিজের জবনে কখনও সেঞ্চুরির জন্য খেলিনি। সম্ভবত এই কারণে আমি এত কম সময়ে এতগুলো সেঞ্চুরিকে শেষ করে দিয়েছি। দলের জেতা বেশি জরুরী। যদি আমি তিন অঙ্কের স্কোর করি আর দল না জেতে, তো এটার আমার কাছে কোনো মানে নেই”।

suvendu debnath

কবি, সাংবাদিক এবং গদ্যকার। শচীন তেন্ডুলকর, ব্রায়ান লারার অন্ধ ভক্ত। ক্রিকেটের...

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *