আইপিএল (IPL 2026) শুরু হতেই ক্রিকেটের উন্মাদনা আবারও ফিরে এসেছে। স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে প্রিয় দলকে সমর্থন জানাচ্ছেন ভক্তরা। উদ্বোধনী ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (Royal Challengers Bangaluru) এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের (Sunrisers Haydrabad) বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল। বিরাট কোহলির (Virat Kohli) দুরন্ত ব্যাটিং’এ জয় ছিনিয়ে নেয় আরসিবি। এই ম্যাচেই এবার সমর্থকরা অদ্ভুত কর্মকাণ্ডের সম্মুখীন হলেন। গ্যালারি এবং স্টেডিয়াম চত্বর থেকে কয়েকশো দামি মোবাইল চুরি হয়ে যাওয়ার খবর সামনে এসেছে। যা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া।
Read More: পুরনো প্রেম! চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে খেলতে নেমে জাদেজার চোখে জল, হলুদ জার্সিকেও চুমু !!
জয় দিয়ে শুরু যাত্রা-

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু গত বছর আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হয়ে দৃষ্টান্ত তৈরি করে। এই বছরও তারা রজত পাটিদারের (Rajat Patidar) নেতৃত্বে মাঠে নেমেছিল। ম্যাচে গত বছর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের বাইরে পদপৃষ্ঠ হয়ে মৃত্যু হওয়া সমর্থকের শ্রদ্ধা জানায় বিসিসিআই (BCCI ) থেকে দলের কর্মকর্তারা। অন্যদিকে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমে জ্বলে উঠেছিলেন ঈশান কিষাণ। তিনি ৩৮ বলে ৮০ রানের ইনিংস গড়েন।
এই রানের ওপর ভর করে হায়দ্রাবাদ ২০১ রানে পৌঁছায়। এই রান তাড়া করতে নেমে আরসিবির হয়ে বিরাট কোহলি এবং দেবদত্ত পাড্ডিকাল (Devdutt Padikkal) দুরন্ত ফর্মে ছিলেন। কিং কোহলি এই ম্যাচে ৩৮ বলে অপরাজিত ৬৯ রান সংগ্রহ করে জ্বলে উঠেছিলেন। ফলে আরসিবি ৬ উইকেটে জয় ছিনিয়ে নেয়। এই ম্যাচে জ্যাকব ডাফি (Jacob Duffy) ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে ৩ টি উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হন।
ম্যাচ চলাকালীন ফোন চুরি-

গত শনিবার এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ছিল দর্শকে পরিপূর্ণ। ক্রিকেটের উন্মাদনায় মেতে উঠেছিলেন । এই সুযোগে গ্যালারি এবং স্টেডিয়াম চত্বর থেকে কার্যত লুট হয়ে যায় কয়েকশো মোবাইল ফোন। পুলিশের সূত্র অনুযায়ী বিষয়টি দ্বিতীয় ইনিংসে যখন ভক্তরা জল খাওয়ার জন্য অথবা বাথরুমে যাওয়ার জন্য যাওয়া-আসা করছিলেন তখনই চলে হাত সাফাই। ফলে বিপাকে পড়েন তারা।
শুধুমাত্র স্টেডিয়ামের ভিতরে নয়। স্টেডিয়ামের বাইরে সংলগ্ন মেট্রো স্টেশনে এবং বাসস্ট্যান্ড থেকে ফোন চুরি হয়েছে। বেঙ্গালুরুতে এই ঘটনায় বিতর্ক শুরু হয়। প্রশাসনের গাফিলতির বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন ক্রিকেট ভক্তরা। এরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং ২১ টি দামি মোবাইল উদ্ধার করেছেন তারা। যার মোট বাজার মূল্য ১৮ লক্ষ টাকা। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে ফোন চুরির ঘটনাগুলি বেশিরভাগ ছোটো বাচ্চাদের দিয়ে করানো হয়েছে।