রবিচন্দ্রন অশ্বিন ঐতিহাসিক রেকর্ড ভেঙে বললেন ‘সরি ভাজ্জু পা, হরভজন দিলেন এই জবাব

অভিজ্ঞ ভারতীয় অফ স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন ভারতীয় মাটিতে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেওয়া তারকা বোলারদের তালিকায় হরভজন সিংকে পেছনে ফেলে দিয়েছেন। তিনি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চেন্নাইতে দ্বিতীয় টেস্টে পাঁচ উইকেট নিয়ে এই কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। এখন অনিল কুম্বলের পর অশ্বিন দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। দ্বিতীয় দিনের খেলার পর অশ্বিন হরভজনকে পেছনে ফেলে দেওয়া নিয়ে এই সিনিয়র বোলারের কাছে ক্ষমা চান। এর পর হরভজন সিং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে অশ্বিনকে জবাব দেন। তিনি ভবিষ্যতে এই ধরণের বেশকিছু সফলতার জন্য অশ্বিনকে শুভকামনা দিয়েছেন।

আমি কখনও ভাবিনি দেশের জন্য খেলতে পারব: অশ্বিন

হরভজন ভারতে ২৮.৭৬ গড়ে ২৬৫ উইকেট নিয়েছিলেন। অন্যদিকে ঘরের মাঠে অশ্বিন ২৬৬টি উইকেট নিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত ৭৬টি টেস্ট ম্যাচে ২৫.২৬ এর দুর্দান্ত গড়ে মোট ৩৯১টি উইকেট নেওয়া ৩৪ বছর বয়সী অশ্বিন সাংবাদিক সম্মেলনে আসার আগে এই কৃতিত্বের ব্যাপারে জানতেন না। অশ্বিন অনলাইন সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, “যখন আমি ২০০১ সিরিজে ভাজ্জু পাকে (হরভজন) খেলতে দেখেছিলাম তখন আমি এটা ভাবিনি যে দেশের হয়ে অফস্পিনার হিসেবে খেলব। আমি সেই সময় নিজের রাজ্যের হয়ে খেলছিলাম আর ব্যাটিংয়ে নিজের কেরিয়ার বানাতে চেয়েছিলাম”।

সতীর্থ খেলোয়াড়রা হরভজনের নকল করা নিয়ে করতেন ঠাট্টা

রবিচন্দ্রন অশ্বিন ঐতিহাসিক রেকর্ড ভেঙে বললেন ‘সরি ভাজ্জু পা, হরভজন দিলেন এই জবাব 1

অশ্বিন বলেন যে যখন তিনি খেলা শুরু করেন তো সতীর্থ খেলোয়াড়রা হরভজন সিংয়ের মতো বোলিং করায় তাকে নিয়ে ঠাট্টা করতেন। অশ্বিন বলেন, “ওই বয়সের আমার সতীর্থ খেলোয়াড়রা আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করত, কারণ আমি ভাজ্জু পা-এর মতো বোলিং করতাম। তবে ওঁর রেকর্ড ভাঙার জন্য আপনাকে অবিশ্বসনীয়ভাবে স্পেশাল হওয়া উচিত। আমি এই ব্যাপারে জানতাম না, এখন যখন আমি এই ব্যাপারে জেনেছি তো আমার আনন্দিত লাগছে। আমাকে ক্ষমা করো ভাজ্জু পা”।

হরভজন টুইট করে বললেন এই কথা

হরভজন সিং যখন অশ্বিনের এই ভিডিও দেখেন তো তিনি টুইট করে বলেন, ‘তুমি চ্যাম্পিয়ন অশ্বিন। আমি প্রার্থনা করছি যে তুমি এরচেয়েও বড়ো রেকর্ড গড়বে। এমনই খেলতে থাকো। তুমি অনেক শক্তি পাও আমার ভাই”।

suvendu debnath

কবি, সাংবাদিক এবং গদ্যকার। শচীন তেন্ডুলকর, ব্রায়ান লারার অন্ধ ভক্ত। ক্রিকেটের...

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *