আর মাত্র কয়েকটা দিনের অপেক্ষা তারপরে এই ভারত এবং শ্রীলংকার মাটিতে বসতে চলেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন টিম ইন্ডিয়া চাইবে তাদের শিরোপা ডিফেন্ড করতে ভারতীয় দলের কাছে সুযোগ রয়েছে প্রথম দল হিসাবে তৃতীয়বারের জন্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা জেতার। টি-২০ বিশ্বকাপ মানেই ভারতীয় সমর্থকদের কাছে আবেগের জায়গা। আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬-এর দিন গোনা শুরু হয়ে গেছে। ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে হতে চলা এই মেগা টুর্নামেন্টের আগে ভারতীয় দল যখন ছন্দে ফেরার চেষ্টা করছে, ঠিক তখনই এল এমন এক খবর যা কার্যত নাড়িয়ে দিয়েছে গোটা ক্রিকেটমহলকে।
কঠিন রোগে কাবু তারকা ভারতীয় ব্যাটসম্যান

বিশ্বকাপের আগে কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়লেন ভারতীয় দলের তারকা ব্যাটসম্যান তিলক ভার্মা (Tilak Varma)। আসলে, বিজয় হাজারে ট্রফিতে হায়দরাবাদের হয়ে খেলার সময় রাজকোটে হঠাৎ তীব্র ব্যথায় আক্রান্ত হন তিলক ভার্মা। তারপরেই, দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ধরা পড়ে তিনি ‘টেস্টিকুলার টর্শন’-এর শিকার। এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে অণ্ডকোষে রক্ত সরবরাহকারী কর্ড মোচড় খেয়ে যায়। সময়মতো চিকিৎসা না হলে এর ফল ভয়াবহ হতে পারে। চিকিৎসকদের তৎপরতায় দ্রুত অস্ত্রোপচার করা হয় এবং তা সফল হয়। বর্তমানে তিলক বেশ সুস্থ রয়েছেন। তবে সম্পূর্ণ ফিট হতে তাঁর অন্তত তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগবে। এই কারণেই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আসন্ন টি-টোয়েন্টিআই সিরিজে তাঁকে পাওয়া যাবে না।
Read More: “কোনো পরিবর্তন হবে না…” বিশ্বকাপের ভেন্যু বদল নিয়ে বাংলাদেশকে হুঁশিয়ারি ICC’র !!
বিশ্বকাপের আগে টিম ইন্ডিয়ায় বড় ধাক্কা
এই সিরিজটি ছিল ভারতের বিশ্বকাপ প্রস্তুতির অন্যতম শেষ ধাপ। তিলকের অনুপস্থিতি মিডল অর্ডারে বড়সড় শূন্যতা তৈরি করেছে। কারণ গত এক বছরে তিনি হয়ে উঠেছিলেন দলের নির্ভরতার প্রতীক। ২০২৫ সালের এশিয়া কাপ ফাইনালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তাঁর অপরাজিত ৬৯ রানের ইনিংসটির কারণে ভারত এশিয়া কাপ জয় করেছিল। পাশাপশি, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সিরিজে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবেও তাঁর নামই ছিল শীর্ষে। তিলক টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অসাধারণ প্রদর্শন দেখিয়ে আসছেন গত কয়েক বছর ধরে। আইপিএলের মঞ্চেও অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে আসছেন তিনি। তিলকের শক্তি শুধু বড় শট খেলা নয়, বরং চাপের মুখে শান্ত থাকা। এই গুণই তাঁকে আলাদা করে তুলেছিল। তিলক ভারতের জার্সিতে ৪০টি ম্যাচে ৪৯.২৫ গড়ে এবং ১৪৩.৯৮ স্ট্রাইক রেটে ১১৮২ রান বানিয়েছেন।