২৬ বছর বয়সি শুভমান গিলের (Shubman Gill) প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় ছিলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। বিজয় হাজারে ট্রফিতে সিকিমের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন করার কথা ছিল শুভমানের। কিন্তু শেষ পার্যন্ত তাঁর কামব্যাক সম্ভব হলোনা। সিকিমের বিরুদ্ধে ম্যাচে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না শুভমানকে। আচমকাই খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন তিনি। পাঞ্জাব দলের হয়ে শুভমান গিল (Shubman Gill) ও অর্শদীপ সিং (Arshdeep Singh) – এই দুই ভারতীয় তারকাই প্রথম একাদশে থাকার কথা ছিল। কিন্তু ম্যাচের দিন সকালে কেবল অর্শদীপই মাঠে নামেন। গিলকে শেষ মুহূর্তে বিশ্রামের পরামর্শ দেন টিম ম্যানেজমেন্ট।
গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লেন শুভমান গিল

পাঞ্জাব দলের কোচ সন্দীপ শর্মা জানান, “শুভমান শুক্রবার জয়পুরে পৌঁছেছিল এবং ম্যাচ খেলার জন্য মুখিয়ে ছিল। কিন্তু রাতের দিকে তিনি অসুস্থ বোধ করে। তাই ঝুঁকি না নিয়ে বিশ্রাম নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।” এই ম্যাচটি খেললে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়ার পর প্রথমবার কোনও প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে নামা হতো গিলের। তবে তা আর সম্ভব হয়নি। এশিয়া কাপে ভারতের টি-টোয়েন্টি দলে ফিরলেও নিজের ছন্দে ধরা দিতে পারেননি শুভমান গিল (Shubman Gill)। পুরো টুর্নামেন্টে হাফ সেঞ্চুরিও করতে ব্যর্থ হন। প্রোটিয়াসদের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম তিন ম্যাচে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন, তবে তিন ম্যাচেই রান বানাতে ব্যার্থ হয়েছিলেন। যে কারণে ২০২৪’এর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর এবারের বিশ্বকাপের দল থেকেও বাদ পড়লেন তিনি। নির্বাচকরা ওপেনিংয়ে উইকেট কিপার ব্যাটসম্যানকে রাখতে চেয়েছিল, যে কারণে সঞ্জু স্যামসন (Sanju Samson) ও ঈশান কিষানকে (Ishan Kishan) সুযোগ দিয়েছে তাঁরা।
Read More:
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে বাড়ছে দুশ্চিন্তা

পাশাপাশি, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে শেষ টি-টোয়েন্টিতে অনুশীলনের সময় পায়ের আঙুলে চোট পান গিল। সেই সুযোগে দলে ঢুকে ২২ বলে ঝোড়ো ৩৭ রান করেন সঞ্জু স্যামসন, যা টিম ম্যানেজমেন্টকে প্রভাবিত করে। প্রসঙ্গত, বিসিসিআই আগেই নির্দেশ দিয়েছিল যে কেন্দ্রীয় চুক্তিভুক্ত সব ক্রিকেটারকে অন্তত দু’টি রাউন্ড বিজয় হাজারে ট্রফিতে খেলতে হবে। সেই কারণেই বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মাকেও যথাক্রমে দিল্লি ও মুম্বাই দলের হয়ে খেলতে দেখা গেছে। তবে নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে গিলের বিজয় হাজারে থেকে ছিটকে যাওয়াটা বেশ প্রশ্ন তৈরি করেছে।