ভারতীয় ক্রিকেটের অসংখ্য তারকা বিভিন্ন সময় রাজনীতির জোয়ারে গা ভাসিয়েছেন। বর্তমানে ভারতীয় দলের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর (Gautam Gambhir) পূর্ব দিল্লি থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়াও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী ইউসুফ পাঠান (Yousuf Pathan) পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুর থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়াও বাংলার রাজনীতিতে জড়িয়েছেন অশোক দিন্দা (Ashok Dinda), লক্ষ্মীরতন শুক্লার (Laxmi Ratan Shukla) মতো জনপ্রিয় ক্রিকেটার। এই বছর পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার ভোট রয়েছে। ইতিমধ্যেই এই ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এবার তৃণমূলের প্রার্থী হলেন বাংলার অন্যতম অভিজ্ঞ পেসার।
Read More: মুস্তাফিজুর পর্ব ভুলে এবার তাসকিনকে নিয়ে আসছে KKR, হর্ষিতের পরিবর্তে নিচ্ছেন এন্ট্রি !!
প্রার্থী হলেন তারকা পেসার-

বাংলা দলের অন্যতম তারকা পেসার মহম্মদ শামি (Mohammed Shami)। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সুযোগ না পেলেও তিনি এই দলের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজেকে প্রস্তুত করছেন। সৈয়দ মুশতাক আলী ট্রফি (Syed Mushtaq Ali) থেকে রঞ্জি ট্রফিতে (Ranji Trophy) দুরন্ত ফর্মে ছিলেন শামি। বাংলা দলের এইরকম তারকার বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন শিবশঙ্কর পাল (Shib Sankar pal)। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে তিনি একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র। বাংলা দলের হয়ে একাধিক ম্যাচে হয়ে উঠেছিলেন জয়ের নায়ক।
আজ সকালে পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ঘোষণা করেছিলেন যে বাংলার এই দাপুটে পেসার তৃণমূলের যোগ দিচ্ছেন। ক্রিকেট মহলে তিনি ‘ম্যাকো’ নামে পরিচিত। তৃণমূলের পতাকা পাওয়ার পর এবার তাকেই তুফানগঞ্জের প্রার্থী করল দল। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে এই আসনে হেরে যান তৃণমূল প্রার্থী। ফলে এবার শিবশঙ্করের রাজনীতির মাঠের লড়াইটা কঠিন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আত্মবিশ্বাসী বাংলার কোচ-

আজ তৃণমূলে যোগ দিয়ে বাংলার প্রাক্তন এই ক্রিকেটার বলেন, “আমি মাঠে-ময়দানের মানুষ। সারা জীবন বাংলার হয়েই মাঠে নেমেছি। যখন দেখছি দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বাংলা বলার জন্য হেনস্থার শিকার হচ্ছেন তখন সত্যিই খারাপ লাগে। আমি খেলার জগতের সঙ্গে যুক্ত। তাই এটুকুই বলবো খেলা হবে।” প্রসঙ্গত ২০১৬ সালে ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছিলেন শিবশঙ্কর।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার রয়েছে ২২০ টি উইকেট। ইন্ডিয়া এ দলের হয়েও সুযোগ পেয়েছেন নিয়মিত। ২০০৪-০৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে চতুর্থ ম্যাচের স্কোয়াডে ডাক পেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভারতের জার্সি পরে তার মাঠে নামা হয়নি। বর্তমানে বাঘাযতীনে শিবশঙ্করের ক্রিকেট অ্যাকাডেমি রয়েছে। এছাড়া বাংলা দলের বোলিং কোচ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।