এক সময় ভারত ও বাংলাদেশের ক্রিকেট সম্পর্ক মানেই ছিল উত্তেজনা, আবেগ ও পারস্পরিক সম্মান। কিন্তু সাম্প্রতিক নানান ঘটনার ফলে দুই দেশের সম্পর্কের পাশাপশি ক্রিকেটীয় সম্পর্কেও ফাটল ধরেছে। এর সবচেয়ে বড় মাশুল দিতে হচ্ছে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের। একের পর এক ভারতীয় ক্রীড়া সংস্থা বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের সঙ্গে সমস্ত স্পনসরশিপ চুক্তি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যে কারণে বিশ্বকাপের আগে মাথায় হাত পড়েছে লিটন-মুস্তাফিজুরদের।
বিশ্বকাপের আগে বিপাকে বাংলাদেশ দল

এসজি (SG) এবং সারিন স্পোর্টস (SS) ইন্ডাস্ট্রিজ—দুই ভারতীয় ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী সংস্থা বেশ কয়েকজন বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের স্পন্সরশিপ করে থাকে। তবে, এবার এই দুই সংস্থা বাংলাদেশী ক্রিকেট মহলে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে। এই সংস্থাগুলি আর স্পন্সশিপ করবে না বলেই জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের যার ফলে একাধিক স্পন্সার সিপ হারাতে মোটা টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল শুধু আর্থিক দিক থেকে নয় স্পন্সারশিপ হারানোর ফলে মানসিক দিক থেকেও দুর্বল হয়ে পড়বে বাংলাদেশি খেলোয়াড়রা।
Read More: RCB’এর ট্রফি জয়ী তারকার স্ক্রিনশট ভাইরাল, গার্লফ্রেন্ড তুললেন প্রতারণার অভিযোগ !!
সারিন স্পোর্টসের ব্যাট ব্যবহার করেছেন অজিঙ্ক রাহানে, যুবরাজ সিং, কুমার সঙ্গকারা, মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো কিংবদন্তিরা। মুশফিকুর, মাহমুদুল্লাহরা মাহমুদুল্লাহরা এই সংস্থার ব্যাট ব্যবহার করত, আর সেই সংস্থাই গত বছর থেকেই বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। বিশেষ করে হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক তলানিতে। সেই সময় থেকে সারিন সংস্থা বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ আর বাড়ায়নি। বর্তমানে সেই পথেই হাঁটছে এসজি।
সমস্যার মুখে লিটন দাস

তাছাড়া, এসজি কোম্পানির সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছেন বাংলাদেশের তারকা ব্যাটার লিটন দাস (Litton Das)। বহু বছর ধরেই তিনি এসজি ব্যাট ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘিরে। আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারত এবং শ্রীলংকা মাটিতে বসতে চলেছে বিশ্বকাপের আসর। ভারত আয়োজকদের সবার কারণে বাংলাদেশ এখানে খেলতে অস্বীকার জানিয়েছে। তবে আইসিসি বাংলাদেশকে কোন বিকল্প ভ্যানু বেছে দেয়নি। বাংলাদেশকে ভারতে খেলতে হবে না হলে তাদের পয়েন্ট কেটে নেবে বলেই জানিয়েছে আইসিসি। একইসঙ্গে বাংলাদেশের সরকার আইপিএল সম্প্রচার বন্ধ করায় ভারতীয় ক্রিকেট মহল ক্ষুব্ধ।