নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হলো টিম ইন্ডিয়া। মেগা ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে পরাস্ত করলো। তৃতীয় বারের জন্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয় করলো টিম ইন্ডিয়া। টিম ইন্ডিয়ার হয়ে আজকের ম্যাচে ব্যাট হাতে সর্বাধিক ৮৯ রানের ইনিংস খেলেন সঞ্জু স্যামসন (Sanju Samson)। ৫৪ রানের ইনিংস খেলেন ঈশান কিষান (Ishan Kishan) এবং ৫২ রান বানান অভিষেক শর্মা (Abhishek Sharma)। পাশাপাশি, শেষের দিকে ৮ বলে ২৬ রানের দুরন্ত ফিনিশিং টাচ দেন শিবম দুবে (Shivam Dube)। ভারতীয় দল নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৫৫ রান বানিয়ে ফেলে। জবাবে নিউজিল্যান্ড ১৫৯ রানে গুটিয়ে যায়। পরপর তিন ম্যাচে অনবদ্য পারফরম্যান্স দেখানোর জন্য টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সঞ্জু স্যামসন (Sanju Samson)।
চলতি টুর্নামেন্টে সঞ্জু স্যামসন ৮০.২৫ গড়ে এবং ১৯৯.৩৮ স্ট্রাইক রেটে ৩২১ রান বানিয়েছেন। টিম ইন্ডিয়ার জয়ে তার ইমপ্যাক্ট বেশ অনেকটাই। শেষ তিন ম্যাচে যেভাবে তিনি ব্যাটিং করেছেন তাতে টুর্নামেন্ট সেরা তাকেই করা হয়েছে। টুর্নামেন্ট সেরা হয়ে মন্তব্য করে তিনি বলেছেন, “আসলে স্বপ্নের মতো লাগছে। খুব, খুব খুশি, খুব কৃতজ্ঞ। আবেগে কথা হারিয়ে ফেলেছি। দুই বছর ধরেই এই পক্রিয়াটা চলে আসছে। যখন আমি ওয়েস্ট ইন্ডিজে ২০২৪ বিশ্বকাপজয়ী দলের সাথে ছিলাম, তখন আমি একটিও খেলা খেলতে পারিনি। তখন থেকেই কল্পনা করতাম এবং স্বপ্ন দেখতাম। তারপর থেকে কাজ করতে থাকি এবং আমি ঠিক এটিই অর্জন করতে চেয়েছিলাম। এবং ঈশ্বরের কৃপায়, আমার মনে হয় আজ সবকিছু বদলে গেছে।”
Read More: IND vs NZ: “ICC’ দয়া করেছে বলেই ট্রফি জিততে…” তৃতীয় বারের জন্য বিশ্বকাপ জিতলো ভারত, সমাজ মাধ্যমে চর্চা শুরু !!
টুর্নামেন্ট সেরা হলেন সঞ্জু স্যামসন

নিউজিল্যান্ড সিরিজে ব্যর্থতার জেরে ভেঙে পড়েছিলেন স্যামসন। মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, “নিউজিল্যান্ড সিরিজের ঠিক পরেই আমি ভেঙে পড়েছিলাম। আমি সম্পূর্ণরূপে আমার মন খারাপ করে ফেলেছিলাম। আমি ভাবছিলাম, ঠিক আছে, আমার স্বপ্ন ভেঙে গেছে। তবে ঈশ্বরের পরিকল্পনা অন্য ছিল। আমি যা করতে পেরেছি তার জন্য গর্বিত। সিনিয়র খেলোয়াড়দের থেকে অনেক পরামর্শ পেয়েছি, তাঁরা আমাকে নানান ভাবে সাহায্য করেছেন।”
সঞ্জু অবশ্য কঠিন সময়ে মাস্টার ব্লাস্টার শচীন টেন্ডুলকারের থেকেও সাহায্য নিয়েছেন। সঞ্জু মন্তব্য করে বলেছেন, “আমি শচীন টেন্ডুলকার স্যারের সাথে ক্রমাগত যোগাযোগ রেখেছি। আমার মনে হয় যখন আমি বাইরে ছিলাম, অস্ট্রেলিয়ায় বাইরে বসে ছিলাম, তখন থেকেই আমি শচীন স্যারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তাঁর সাথে আমার অনেক আলোচনা হয়েছে। এমনকি গতকাল তিনি আমাকে ফোন করেছিলেন, তাঁর মতন কারও কাছ থেকে নির্দেশনা পেয়ে আমি আর কী চাইতে পারি? আমি মনে করি যারা আমাকে সমর্থন করেছেন তাদের প্রত্যেকের জন্য আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।”