টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সবথেকে বড় ম্যাচে আজ মুখোমুখি হতে চলেছে ভারত এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ (IND vs WI)। এই লড়াইয়ে যে দল জয়লাভ করবে সেই দল চলতি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে। কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে মুখোমুখি হতে চলেছে এই দুই দল। প্রথম গ্রুপ থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা ও দ্বিতীয় গ্রুপ থেকে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড সেমিফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় দলের কাছে এই জয়টি বেশ গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। তবে, চলতি বিশ্বকাপের মঞ্চে ইস্তফা দিলেন হেড কোচ। কয়েকদিন আগে, আফগানিস্তান দলের হেড কোচ জোনাথন ট্রট কোচের পদ থেকে ইস্তফা দেন।
এবার, হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটে। টুর্নামেন্ট থেকে কয়েক দিন আগেই ছিটকে গিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। গতকাল নিয়মরক্ষার ম্যাচে পাকিস্তানের মুখোমুখি হয়েছিল শ্রীলঙ্কা। দলের এই কঠিন অবস্থায়, প্রধান কোচ সনৎ জয়সুর্য নিজের পদ ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। শনিবার নিজেদের মাঠে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পরাজয়ের পর তিনি জানান, দলের স্বার্থে প্রয়োজন হলে তিনি দায়িত্ব ছেড়ে দিতে প্রস্তুত। যদিও তাঁর বর্তমান চুক্তির মেয়াদ আগামী জুন মাস পর্যন্ত কার্যকর রয়েছে, তবুও সময়ের আগেই সরে দাঁড়াতে চান তিনি।
Read More: ইডেনে মহারণের আগে দুশ্চিন্তা! বৃষ্টি হলে শেষ টিম ইন্ডিয়ার বিশ্বকাপ অভিযান
বিশ্বকাপের মঞ্চে ইস্তফা দিলেন কিংবদন্তি কোচ

বিশ্বকাপের শুরুটা আশাব্যঞ্জক হলেও পরে ছন্দ হারায় শ্রীলঙ্কা। গ্রুপ পর্বে টানা তিনটি ম্যাচ জিতে সুপার এইটের যোগ্যতা অর্জন করে নেয় শ্রীলঙ্কা। তবে জিম্বাবুয়ের কাছে পরাজয়ের পর যেন মুখ থুবড়ে পড়েছিল শ্রীলঙ্কা। দাসুন শনাকার নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কা সুপার এইট পর্বে একটি ম্যাচও জিততে পারেনি। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে অপ্রত্যাশিত পরাজয়ের পর নিউ জিল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের কাছেও হারতে হয়েছে তাদের। ফলে সেমিফাইনালের লড়াই থেকে দ্রুত ছিটকে যেতে হয়েছে লংকান লায়ন্সদের।
দলের ধারাবাহিক ব্যর্থতায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা। বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার আগেই বড় রদবদলের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল। শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি অলরাউন্ডার ও হেড কোচ সনৎ জয়সুর্য ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ভারতের বিরুদ্ধে সাদা বলের সিরিজের আগেই অন্তর্বর্তিকালীন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন। পরে দলের অগ্রগতি দেখে একই বছরের শেষদিকে তাঁকে পূর্ণসময়ের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ করা হয়। তাঁর কোচিংয়ের সময়কালে শ্রীলঙ্কা সব ফরম্যাট মিলিয়ে মোট ৭৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে। এর মধ্যে দল ৩৪টি ম্যাচে জয় পেয়েছে, ৩৮টিতে পরাজিত হয়েছে।