টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 WC 2026) এই বছরও ভারতীয় দলের দাপট অব্যাহত ছিল। তৃতীয়বারের মতো এই আইসিসি টুর্নামেন্টের ট্রফি জয় করে সূর্যকুমার যাদবরা (Suryakumar Yadav) আবারও নিজেদের প্রমাণ করেছেন। অন্যদিকে পাকিস্তানের হতাশাজনক পারফর্ম্যান্স চর্চায় উঠে আসে। এরপর শাহীন আফ্রিদিরা (Shaheen Afridi) বাংলাদেশের বিপক্ষে ওডিআই সিরিজে মাঠে নেমেছে। টাইগারদের বিপক্ষেও মাঠে নাস্তানাবুদ হচ্ছে পাক বাহিনী। এর মধ্যেই মাঠে আইসিসির (ICC) নিয়ম ভেঙ্গে বিপাকে পড়লেন সালমান আলি আঘা (Salman Ali Agha)।
Read Also: অবশেষে হল বড়ো খোলসা, এই কারণে KKR’এর নাম শুনলে নাক সিটকন সৌরভ গাঙ্গুলী !!

বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ওডিআই ম্যাচের সময় বিতর্কিত আউট হন সালমান আলি আঘা। প্রথম ইনিংসের ৩৯ তম ওভারে ঘটে ঘটনাটি। বল করছিলেন মেহেদি হাসান মিরাজ (Mehdi Hasan Miraj)। মহম্মদ রিজওয়ান (Mohammad Rizwan) ডিফেন্স করে একটি বল সামনের দিকে ঠেলে দেন। সেই সময় সালমান আলি আঘা ননস্ট্রাইকে ক্রিজের অনেকটা বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। মিরাজ পা দিয়ে বলটি থামানোর চেষ্টা করলে সালমান ভেবেছিলেন বলটির ডেট হয়ে গেছে। তিনি হাত দিয়ে বলটি তুলতে চেষ্টা করেন।
সেই সময় বাংলাদেশের তারকা বলার বলটি তুলে নিয়ে রান আউট করে দেন। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে সালমান মাটিতে নিজের হেলমেট এবং হ্যান্ড গ্লাভস ছুঁড়ে মারেন। এরপরই শাস্তির মুখে পড়েছেন পাকিস্তানের তারকা অলরাউন্ডার। ম্যাচ শেষে রেফারি নিয়ামুর রশিদ রিপোর্ট করেন। আইসিসির ২.২ ধারায় নিয়ম ভেঙেছেন। ফলে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়া হয়েছে এছাড়াও সতর্ক করা হয়েছে সালমানকে। ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা ঘটালে তাকে নিষিদ্ধ পর্যন্ত করা হতে পারে।
নায়ামুর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই বিষয়ে বলেন, “মাঠে ও মাঠ ছেড়ে যাওয়ার সময় ক্রিকেটের সরঞ্জাম ছুঁড়ে ফেলা হয়েছে। সালমান এর আগে এই ধরনের ঘটনা ঘটাননি। কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আমাদের নিরপেক্ষ থাকতে হবে। তাই পাক ক্রিকেটারকে সতর্ক করা হয়েছে। একটি ডি-মেরিট পয়েন্ট দেওয়া হয়েছে।”
সালমানের পাশে কাইফ-

অন্যদিকে বিতর্কিত আউট নিয়ে মুখ খুলেছেন মহম্মদ কাইফ (Mohammed Kaif)। তিনি ক্রিকেটের সৌজন্যকে চিহ্নিত করে সালমান আলি আঘার পাশে দাঁড়িয়েছে। ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটের বলেন, “তরুণ ক্রিকেটারদের অবশ্যই মনে রাখা উচিত ধরো তোমাদের সামনে বিশ্বকাপের ফাইনাল জেতার সুযোগ রয়েছে, তখনও বাংলাদেশের অধিনায়ক যা করেছেন তেমন কোরো না। স্পোর্টসম্যান স্পিরিট না থাকলে সেটা কোনো খেলার পর্যায়ে পড়ে না।”