এবারের আইপিএলে একেবারে চেনা ছন্দে দেখা যাচ্ছে না কলকাতা নাইট রাইডার্সকে (KKR)। চলতি মৌসুমে ইতিমধ্যেই কলকাতা নাইট রাইডার্স কেবলমাত্র একটি ম্যাচেই জয় পেয়েছে তারা দলের কঠিন পরিস্থিতিতে রীতিমত্তন প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা। উদ্বোধনী ম্যাচে নাইট রাইডার্স এর বিরুদ্ধে একতরফাভাবে জয় নিয়ে নিয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। তারপর রাজস্থানের বিরুদ্ধে জয় পেয়েছিল কলকাতা, ৮ উইকেটে একটি রুদ্ধশ্বাস জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল কলকাতা তবে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে আবার একতরফা ভাবে পরাজিত হতে হয়েছিল KKR দলকে। যার পর পয়েন্ট তালিকায় একেবারে নিচে নেমে এসেছে নাইট রাইডার্স। তবে নাইট রাইডার্স দলে একজন খেলোয়ার রয়েছেন যিনি দলের হাত ধরে অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলেন তবে দলকেই চুনা লাগাচ্ছেন লাগাতার।
দলকে চুনা লাগাচ্ছেন এই তারকা

এবারের আইপিএল নিলামের আগেই কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR) রিংকু সিংকে (Rinku Singh) ১৩ কোটি টাকা দিয়ে ধরে রেখেছিল। ২০২২ সালের আইপিএলে নাইট রাইডার্স তাদের গ্রুপ ম্যাচের শেষ ম্যাচটি লখনৌ সুপার জায়ান্টস দলের বিরুদ্ধে খেলেছিল, সেই ম্যাচে অসাধারণ ক্যামিও দেখিয়েছিলেন তিনি। এরপর ২০২৩ সাল থেকে আইপিএলের মঞ্চে লাগাতার কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের হয়ে খেলে আসছেন। রিংকু সিং সেবারের আইপিএলে দুরন্ত ছন্দ দেখিয়েছিলেন। ১৪ ম্যাচে ৫৯.২৫ গড়ে এবং ১৪৯.৫২ স্ট্রাইক রেটে ৪৭৪ রান বানিয়েছিলেন। ২০২৩ সালের আইপিএলে গুজরাত টাইটান্স দলের বিরুদ্ধে শেষ ওভারে ম্যাচ জেতার জন্য যখন ২৮ রানের প্রয়োজন ছিল তখন যশ দয়ালের ওভারে শেষ ৫ বলে ৫টি ছক্কা হাঁকিয়ে জয় সুনিশ্চিত করেছিলেন তারপর থেকেই রিংকু হয়ে উঠেছিলেন নাইট রাইডার্স দলের পোস্টার বয়।
Read More: বড়ো ভুলে হাত কামড়াচ্ছে KKR, ব্যর্থতার পাহাড় গড়েই চলছেন এই তারকা !!
সম্পূর্ণরূপে ব্যার্থ হয়েছেন রিংকু সিং

তবে গত মৌসুম থেকে যেন ছন্দ হারিয়েছেন রিংকু সিং (Rinku Singh)। গত মৌসুমে ১১ ইনিংসে ব্যাটিং করার সুযোগ পেয়েছিলেন যেখানে ১৮.৬৬ গড়ে এবং ১৪৮.৬৭ স্ট্রাইক রেটে মাত্র ১৬৮ রান বানিয়েছিলেন। ফ্লপ পারফরমেন্সের পরেও রিংকুর উপর ভরসা রেখেছিল নাইট ম্যানেজমেন্ট। রিংকু এবার আইপিএলে প্রথম তিন ম্যাচে দুবার ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছেন। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ১০ বলে ১২ রান বানিয়েছিলেন এবং মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে ১৪ বলে ১৭ রানের ইনিংস খেলে আউট হতে হয়েছিল তাকে। রিংকুর লাগাতার ব্যর্থতার পর টিম ম্যানেজমেন্টের মাথায় হাত পড়েছে।