চলতি টি-২০ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচ শেষ হয়ে সুপার এইটের লড়াই শুরু হয়েছে। তবে মাঠের উত্তেজনার পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে প্রি-সিডিং পদ্ধতি নিয়ে বিতর্ক। আগে থেকেই নির্দিষ্ট হয়ে ছিল এবারের বিশ্বকাপের সুপার এইট। অনেকের মতে, এই ব্যবস্থার কারণে কিছু দলের জন্য পথ কঠিন হয়ে উঠছে, আবার কেউ কেউ বলছেন এতে টুর্নামেন্টের কাঠামো আরও আকর্ষণীয় হয়েছে। বিশেষ করে ভারতের গ্রুপ টি পাকিস্তানের গ্রুপ থেকে বেশি শক্তিশালী। প্রথম গ্রুপে ভারতের পাশাপাশি ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে রয়েছে। অস্ট্রেলিয়া দল গ্রুপে সেরা পারফরম্যান্স না দেখানোর জন্য তাদের জায়গায় জিম্বাবুয়ে দল কোয়ালিফাই করে যায়।
প্ৰি-সিডিং নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে

আসলে প্রতিযোগিতাকে পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে আগেই সুপার এইটের সম্ভাব্য দলগুলিকে প্রি-সিড করা হয়েছিল। অর্থাৎ, কোনও দল পরবর্তী পর্বে উঠলে তারা কোন গ্রুপে খেলবে, তা আগেভাগেই নির্ধারিত ছিল। ঠিক যেমনটা অস্ট্রেলিয়ার ক্ষেত্রে হয়েছে। এবার ভারত ও অস্ট্রেলিয়াকে রাখা হয়েছিল সুপার এইটের এক গ্রুপে, তবে সবকিছু পরিবর্তন ঘটিয়ে ইতিহাস রচনার লক্ষে সুপার এইটে পৌঁছে যায় জিম্বাবুয়ে।
Read More: “আমার শেষ দিন..”, বিশ্বকাপের মাঝেই পদ ছাড়লেন হেড কোচ !!
প্রি-সিডিং অনুযায়ী সুপার এইটের গ্রুপ এ-র পাশাপাশি বি গ্রুপে রাখা হয়েছে – পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ডকে। চারটি দলই যোগ্যতা অর্জন করেছে। তবে এই গ্রুপ নিয়ে বেশ জল্পনা তৈরি হয়। গ্রুপ এ-র দলগুলি গ্রুপ পর্বে দারুণ ছন্দে ছিল এবং অপরাজিত থেকেও সুপার এইটে নতুন করে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়েছে। প্রতিটি দল গ্রুপ পর্যায়ে ছিল অপরাজিত। জয়ী দল হওয়ার পরেও তাদের জন্য লাভ নেই কোনো, কারণ এই গ্রপ থেকে দুটি দল পারবে সেমিফাইনালের যোগ্যতা অর্জন করতে। এই কারণেই প্রি-সিডিং পদ্ধতি নিয়ে সমর্থক ও সমালোচকদের মধ্যে মতভেদ তৈরি হয়েছে।
খুশি নন সূর্যকুমার যাদবও

ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবও দল বিন্যাস নিয়ে বলেছেন, “কে আগে থেকে সূচি ঠিক করে রেখেছিল, তা আমার জানা নেই। আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হলে অবশ্যই আমি সূচি বদলে দিতাম। চারটি অপরাজিত দল কখনও একই গ্রুপে থাকতে পারে না। আমি দুটো দুটো করে দলকে ভাগ করে দিতাম।” অন্যদিকে, ভারতীয় দল সুপার এইটের প্রথম ম্যাচটি দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে।