PAK vs NZ: টি২০ বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্ব শুরু হতে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ এক লড়াই দিয়ে, যেখানে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান এবং নিউ জিল্যান্ড। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে শনিবার সন্ধ্যায়। দুই দলই গ্রুপ পর্বে রানার্স-আপ হয়ে সুপার এইটে জায়গা নিশ্চিত করেছে, ফলে শুরুতেই এই ম্যাচের গুরুত্ব অনেক বেশি। গ্রুপ পর্বে পাকিস্তান ভারতের পরে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে, অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড দক্ষিণ আফ্রিকার পিছনে থেকে পরের রাউন্ডে ওঠে। তাই সুপার এইটের শুরুতেই জয়ের মাধ্যমে ছন্দ তৈরি করা দুই দলের কাছেই অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে নিউজিল্যান্ডের মিডল অর্ডার ব্যাটিং বনাম পাকিস্তানের স্পিন আক্রমণের দ্বৈরথ ম্যাচের ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা নিতে পারে বলে ক্রিকেট বিশ্লেষকদের ধারণা। পাকিস্তানের স্পিনাররা যদি মাঝের ওভারে চাপ তৈরি করতে পারে, তবে কিউইদের জন্য রান তোলা কঠিন হয়ে যেতে পারে।
Read More: “মেয়েদের পণ্য বানাচ্ছে..”, চাহালের সঙ্গে বিতর্কিত মিম নিয়ে বিস্ফোরক শেফালি বগ্গা !!
খেলা পন্ড করতে পারে বৃষ্টি

তবে ক্রিকেটের লড়াইয়ের পাশাপাশি আবহাওয়াও এখানে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে। আবহাওয়া পূর্বাভাস সংস্থা জানিয়েছে, ম্যাচের দিন আকাশে ৮০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত মেঘ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। দিনের বেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রায় ৭৫ শতাংশ, আর রাতের দিকে তা বেড়ে প্রায় ৮৭ শতাংশ হতে পারে। এমনকি বজ্রঝড় হওয়ার সম্ভাবনাও প্রায় ৫২ শতাংশ পর্যন্ত রয়েছে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। ম্যাচ শুরু হওয়ার কথা ভারতীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায়, যা স্থানীয় সময়ের কাছাকাছি। বৃষ্টি যদি ম্যাচে বাধা সৃষ্টি করে, তাহলে সেটি দুই দলের জন্যই বড় ধাক্কা হতে পারে। সুপার এইট পর্যায়ের এই ম্যাচের জন্য কোনো রিজার্ভ ডে রাখা হয়নি। ফলে পুরো ম্যাচ আয়োজন সম্ভব না হলে দুই দলকে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই সন্তুষ্ট থাকতে হবে। যদিও আয়োজকদের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত ৯০ মিনিট সময় রাখা হয়েছে যাতে অন্তত সংক্ষিপ্ত ম্যাচ আয়োজন করা যায়, কিন্তু পাঁচ ওভারের খেলাও সম্ভব না হলে ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হবে।
পরিসংখ্যানের দিক থেকেও এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেশ জমজমাট। এখন পর্যন্ত টি২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুই দল মোট ৪৯ বার মুখোমুখি হয়েছে। সেখানে পাকিস্তান জিতেছে ২৪ ম্যাচ, নিউজিল্যান্ড ২৩টি, আর দুটি ম্যাচ টাই হয়েছে। সংখ্যার এই কাছাকাছি অবস্থানই প্রমাণ করে দুই দলের শক্তির পার্থক্য খুবই সামান্য। সব মিলিয়ে বলা যায়, মাঠের লড়াই যতটা উত্তেজনাপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা, তার চেয়েও বেশি অনিশ্চয়তা তৈরি করছে আবহাওয়া। সুপার এইটের শুরুতেই জয় পেলে সেমিফাইনালের পথে বড় সুবিধা মিলবে, আর ম্যাচ ভেস্তে গেলে সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে যেতে পারে।