টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 WC 2026) শেষ হওয়ার পর আইপিএলের প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে দলগুলি। অন্যতম সফল এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে বিশ্বের অসংখ্য তারকা ক্রিকেটার অংশগ্রহণ করে থাকেন। কিন্তু একমাত্র পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের রাজনৈতিক সম্পর্ক খারাপ হওয়ার কারণে বাবার আজমরা (Babar Azam) আইপিএলে খেলার সুযোগ পায় না। বিসিসিআইকে (BCCI) টক্কর দিয়ে একই সময় পিএসএল (PSL 2026) আয়োজন করছে। কিন্তু পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অনেক বিদেশি ক্রিকেটার পিএসএলে অংশগ্রহণ করতে চাইছে না। কার্যত বন্ধের মুখে দাঁড়িয়ে এই টুর্নামেন্টে নিয়ে এবার বড়ো আপডেট দিলেন মহসিন নকভি (Mohsin Naqvi)।
Read More: TOP 6: এমন ছয় জন বিশ্বমানের তারকা যারা IPL’এ ১টি ম্যাচ খেলার পরেই হারিয়ে গেছেন !!
বন্ধের মুখে পিএসএল-

এই বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রাথমিক গ্রুপ পর্বে টিকে থাকার লড়াই চালায় পাকিস্তান দল। তবে শেষ পর্যন্ত সেমিফাইনালে প্রবেশ করতে পারিনি। সুপার ৮ থেকেই বিদায় নেয় পাক বাহিনী। এর ফলে সালমান আলি আঘারা (Salman Ali Agha) সমালোচনার মুখে পড়ে। পিসিবির ম্যানেজমেন্টের দিকে আঙ্গুল তোলেন প্রাক্তন তারকাও। এর মধ্যেই এবার ২৬ মার্চ থেকে শুরু হতে চলেছে পাকিস্তান সুপার লিগের নতুন মরসুম।
কিন্তু টুর্নামেন্ট শুরুর আগে এই দেশের সঙ্গে আফগানিস্তানের যুদ্ধ পরিস্থিতি অনেকটাই উত্তপ্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে গেছে। সীমান্তে ক্রমবর্ধমান বোমা-গুলির লড়াই ক্রিকেট মাঠেও প্রভাব ফেলেছে। কয়েক দিন আগে কাবুলে ভয়াবহ হামলায় কয়েকশো মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর সামনে আসে। রশিদ খান (Rashid Khan) সহ একাধিক আফগান তারকা এই হামলার রীতিমতো সমালোচনা করেন। এই আবহে পিএসএল খেলতে পাকিস্তানে যেতে চাইছেন না একাধিক বিদেশি ক্রিকেটাররা।
মহসিন নকভির মন্তব্য-

শুধুমাত্র পাকিস্তান আফগানিস্তানের মধ্যে নয় ইরানের সঙ্গে আমেরিকা এবং ইসরাইলের যুদ্ধও অব্যাহত রয়েছে। এর কারণে জ্বালানির সংকটও বড়ো সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে। এই কারণে পিএসএল আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কিনা তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল। তবে সমস্ত প্রতিকূলতাকে পিছনে ফেলে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে চাইছেন। তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “আমরা পিএসএল বন্ধ করতে পারিনা কারণ বছরের অন্য সময় এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করার জন্য ফাঁকা জায়গা নেই।”
তবে পাকিস্তান বোর্ডের তরফ থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই টুর্নামেন্ট শুধুমাত্র লাহোর এবং করাচিতে অনুষ্ঠিত হবে। জ্বালানির সংকট যতক্ষণ না মিটছে ততক্ষণ কোনো ম্যাচে দর্শকরা মাঠে উপস্থিত থেকে উপভোগ করতে পারবেন না। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। ফ্রাঞ্চাইছি দলগুলির যে ক্ষতি হবে তা বোর্ড দেবে। অন্যদিকে ক্রিকেট ভক্তরা আগাম যে টিকিট কেটেছেন তার সমস্ত অর্থ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।