শেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 WC 2026) ভারতীয় দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। রোহিত শর্মার নেতৃত্বে আরও একটি আইসিসি (ICC) ট্রফি জয় করে ব্লু ব্রিগেডরা নতুন ইতিহাস তৈরি করে। অন্যদিকে আসন্ন পরবর্তী এই বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে যোগ্যতা অর্জনকারী দলগুলি। ভারত এবং শ্রীলঙ্কা ম্যাচ আয়োজনের জন্য নিজেদের তৈরি রেখেছে। কিন্তু টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগেই বাংলাদেশ বয়কট করায় সমস্যা তৈরি হয়। টাইগার বাহিনীদের বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে যুক্ত করেছে আইসিসি। তবে বিতর্ক এখনও পিছু ছাড়ছে না। এর মধ্যেই এবার বিশ্বকাপ পিছিয়ে যাওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এল।
Read More: ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে না পাকিস্তান, বিশ্বকাপকে ঘিরে বিতর্কের আগুনে ঘি ঢালল পিসিবি !!
বিশ্বকাপ থেকে বাদ বাংলাদেশ-

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে। ভারতের সঙ্গে এই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কেও ধরেছে ফাটল। এখনের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্মম অত্যাচারের ছবি আন্তর্জাতিক মঞ্চেও সমালোচনার মুখে পড়েছে। এই আবহে আইপিএলের নিলামে কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders) মুস্তাফিজুর রহমানকে (Mustafizur Rahman) দলে নিয়েছিল। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে সমর্থকরা তীব্র প্রতিবাদ জানায়।আইপিএল (IPL 2026) থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের নিষিদ্ধ করার জন্য দাবি জানতে থাকেন তারা।
এই আবহে বিসিসিআই (BCCI) সমর্থকদের আবেগকে সম্মান জানিয়ে শেষ পর্যন্ত মুস্তাফিজুর রহমানকে (Mustafizur Rahman) বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এরপরই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB) ভারতে ক্রিকেটারদের পাঠাবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়। কারণ হিসাবে তারা নিরাপত্তার অভাবকে উল্লেখ করে। আইসিসি পর্যবেক্ষণের পর জানায় যে ভারতে লিটন দাসদের (Litton Das) নিরাপত্তার কোন সমস্যা হবে না। তারপরেও নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে বিসিবি। যার ফলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়েছে তারা।
পিছিয়ে যাচ্ছে বিশ্বকাপের দিনক্ষণ-

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ বাদ পড়ার পর স্কটল্যান্ড জায়গা করে নিয়েছে। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত পাকিস্থান ক্রিকেট বোর্ড মেনে নিতে পারছে না। টাইগার বাহিনীদের বাদ দেওয়ার বিষয়ে ভোটাভুটিতে একমাত্র পিসিবি লিটন দাসদের সমর্থন করেছিল। সূত্র অনুযায়ী তারা এবার আসন্ন বিশ্বকাপ বয়কট করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই বিষয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভি বলেন, “আমরা বিশ্বকাপ খেলব কিনা তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করব।”
এই আবহে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে বলে খবর সামনে এসেছে। তবে ফেব্রুয়ারিতে এই গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত না হলে ফ্রি উইন্ডো পাওয়া খুবই মুশকিল হয়ে যাবে। সেই ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন পিছিয়ে গিয়ে এই বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হতে পারে এই টি-টোয়েন্টির মহারণ। তবে এই বিষয়ে এখনও কোনো অফিশিয়ালি বিবৃতি সামনে আসেনি।