ভারতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে গৌতম গম্ভীরের (Gautam Gambhir) সফলতা তুঙ্গে। টিম ইন্ডিয়ার হয়ে ইতিমধ্যেই দুটি আইসিসি ট্রফি জিতে নিয়েছেন গম্ভীর। সদ্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার পর টিম ইন্ডিয়ার প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর ইস্তফা দিচ্ছেন বলে শোনা গেছে সমাজ মাধ্যমে। সম্প্রতি গম্ভীরের একটি ভিডিও সমাজ মাধ্যমে বেশ ভাইরাল হয় যেখান তাঁকে ভারতীয় দলের কোচের পদ থেকে ইস্তফা দিতে দেখা গিয়েছে। অন্য একটি ভিডিওতে তাঁকে সিনিয়র ক্রিকেটারদের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে। ভিডিও গুলো ফেক বলেই দাবি জানান গম্ভীর এবং সম্প্রতি আইনের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।
ডিজিটাল যুগে প্রযুক্তির উন্নতি যেমন আমাদের জীবনকে সহজ করেছে, তেমনই এর অপব্যবহার নতুন ধরনের সমস্যার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে ডিপফেক এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) প্রযুক্তি এখন সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সেলিব্রিটিদের জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি দিল্লি হাই কোর্ট-এ একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করে অভিযোগ করেছেন যে, তাঁর নাম, মুখ এবং কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে। এই ভিডিওগুলি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে মনে হয় তিনিই সেই মন্তব্য করছেন, যদিও বাস্তবে সেগুলি সম্পূর্ণ মিথ্যা।
Read More: BCCI’র জন্য ২ কোটি টাকার লোকসান জসপ্রীত বুমরাহ’র, কড়ায় গন্ডায় বুঝে নেবেন ভারতীয় তারকা !!
আদালতে ক্ষতিপূরণ-এর দাবি জানালেন গৌতম গম্ভীর

গম্ভীরই প্রথম নন। এর আগে শচীন টেন্ডুলকার, ক্যাটরিনা কাইফ, আলিয়া ভাট, কাজল এবং রাষ্মিকা মন্দানা-র মতো তারকারাও ডিপফেকের শিকার হয়েছেন। এই ঘটনাগুলি প্রমাণ করে যে, প্রযুক্তির অপব্যবহার এখন কতটা ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। এই মামলায় শুধু কিছু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট নয়, বরং বড় বড় প্রযুক্তি সংস্থাকেও পক্ষ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যামাজন, ফ্লিপকার্ট, মেটা প্লাটফর্ম, এক্স এবং গুগল।
গম্ভীরের দাবি, এই প্ল্যাটফর্মগুলিতে তাঁর অনুমতি ছাড়াই তাঁর নাম ও ছবি ব্যবহার করে পোস্টার এবং অন্যান্য পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। এছাড়াও তিনি প্রায় ২.৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন তিনি। তাঁর মতে, এই ধরনের ভুয়ো কনটেন্ট শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সম্মান নষ্ট করছে না, বরং জনসাধারণের মধ্যেও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তিনি মন্তব্য করে বলেছেন, “আমার পরিচয় ব্যবহার করে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে এবং এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা হচ্ছে। এটি শুধুমাত্র একটা ব্যাক্তিগত বিষয় নয় বরং আইন ও সম্মান রক্ষার বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।”