গৌতম গম্ভীর (Gautam Gambhir) ভারতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে আসার পর থেকেই বিভিন্ন কারণে চর্চায় উঠে এসেছেন। তার একাধিক সিদ্ধান্ত প্রশ্নের মুখে পড়েছিল সাম্প্রতিক সময়। কিন্তু সমস্ত সমালোচনাকে পিছনে ফলে দেশকে বিশ্বকাপ (T20 WC 2026) ট্রফি এনে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তবে গম্ভীরের সময়কালে একদিনের ক্রিকেট এবং টেস্ট ক্রিকেটে ভারতের ফলাফল খুব একটা আশাজনক নয়। আগামী বছর আইসিসির গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্ট ওডিআই বিশ্বকাপ (ODI WC 2026) রয়েছে। তার আগেই এবার নতুন প্রধান কোচের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলেন গ্যারি কার্স্টেন (Gary Kirsten)।
Read More: রেকর্ডের পর রেকর্ড, বিশ্বকাপ জিতে নিন্দুকের মুখে তালা দিলেন গৌতম গম্ভীর !!
এলেন নতুন প্রধান কোচ-

এই বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারত এবং শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ব্লু ব্রিগেডরা প্রথম থেকেই টুর্নামেন্টে নিজেদের দাপট বজায় রাখে। অন্যদিকে লঙ্কা বাহিনী নিজেদের ঘরের মাঠে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়। ফলে ট্রফি জয়ের কাছাকাছি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেনি তারা। এরপরই প্রধান কোচের পদ থেকে পদত্যাগ করেন সনৎ জয়সূর্য (Sanath Jaysurya)। বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টের থেকে দল ছিটকে যাওয়ার পরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছিলেন।
বলেছিলেন, “এবার আমার এই পদ থেকে সরে যাওয়ার সময় এসে গেছে। এই দায়িত্ব আমি অন্য কারও হাতে তুলে দিতে চাই। ইংল্যান্ড সিরিজের সময়ই আমি এই ইচ্ছার কথা বলেছিলাম। ভেবেছিলাম বিশ্বকাপ জিতে সুন্দর ভাবে বিদায় নিতে পারব। কিন্তু সেটা হল না।” এরপরই নতুন প্রধান কোচ খোঁজার জন্য মাঠে নেমে পড়ে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট। এবার এই পদে যোগ দিলেন অভিজ্ঞ গ্যারি কার্স্টেন।
গ্যারির কোচিং এর অভিজ্ঞতা দীর্ঘদিনের। তার তত্ত্বাবধানে ভারতীয় দল ২০১১ সালে ওডিআই বিশ্বকাপে জয় পেয়েছিল। এছাড়াও তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা এবং পাকিস্তানের মতো দলের সঙ্গে কোচিং করেছেন। আইপিএলে কাজ করেছেন গুজরাট টাইটান্স (Gujarat Titans) এবং রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর (Royal Challengers Bangaluru) মতো দলের সঙ্গে।
শ্রীলঙ্কার ব্যর্থতা-

এই বছর টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কা জয় তুলে নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল। তারা প্রাথমিক গ্রুপ পর্বে আয়ারল্যান্ডকে ২০ রানে পরাজিত করে। এছাড়াও ওমানকে ১০৫ রানে হারিয়ে জ্বলে ওঠে লঙ্কা বাহিনী। এমনকি শক্তিশালী প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়াকে (Srilanka vs Australia Match) সহজে হারায় দাশুন শানাকারা (Dasun Shanaka)। অজিদের বিপক্ষে দুরন্ত শতরান করেছিলেন পাথুম নিশাঙ্কা (Pathum Nissanka)। ফলে তারা ট্রফি জয়ের অন্যতম দাবিদার বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু একসময় ছন্দ হারিয়ে ফেলে শ্রীলঙ্কা। পরপর ৪ টি ম্যাচে পরাজিত হয় তারা। সুপার ৮’এ প্রবেশ করলেও ঘরের মাঠে একের পর এক ম্যাচে হেরে শেষ পর্যন্ত ছিটকে যায় লঙ্কা বাহিনী।