'বাবা আমাকে কু-নজর দিতেন....', জীবনের অন্ধকার অধ্যায় ফাঁস করলেন দীপক চাহারের দিদি মালতী !! 1

চেন্নাই সুপার কিংস ও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স দলের অন্যতম প্রতিভাবান তারকা পেসার হলেন দীপক চাহার (Deepak Chahar)। পারফরম্যান্সের দাপটে ভারতীয় দলেও খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। ফর্মে থাকলেও ফিটনেস সমস্যার কারণে বছরের বেশিরভাগ সময় তাকে বাইরেই থাকতে হয়। বিগত কয়েক বছর আইপিএলের মঞ্চেও সবকটি ম্যাচে ফিটনেস ধরে রাখতে পারেন নি দীপক। আসন্ন আইপিএল মৌসুমের আগে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স দীপক চাহারকে ধরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তবে সম্প্রতি দীপক চাহার ও তার দিদি মালতি চাহার সমাজ মাধ্যমের শিরোনামে উঠে এসেছেন। মালতি চাহারের একটি মন্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে বেশ চর্চা। রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস ১৯’-এ অংশ নেওয়ার পর মালতী চাহার শুধুমাত্র একজন অভিনেত্রী বা ক্রিকেটারের বোন হিসেবেই নয়, বরং একজন সংগ্রামী নারী হিসেবেও দর্শকের নজর কেড়েছেন। শো থেকে বিদায় নেওয়ার পর এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের জীবনের এমন সব অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন, যা এতদিন আলোচনার বাইরে ছিল।

মালতী চাহারের জীবনের অজানা অধ্যায়

Malti Chahar
Malti Chahar | Image: Twitter

মালতী জানান, তার শৈশব তাঁর ভাই দীপকের মতন মোটেই সহজ ছিল না। বাবা-মায়ের মধ্যে প্রায়শই ঝগড়া, মানসিক অস্থিরতা এবং পারিবারিক অশান্তির মধ্যেই তাঁর বেড়ে ওঠা। পরিবারের বড় মেয়ে হওয়ায় অনেক সময় তাঁকেই পরিস্থিতি সামলাতে হতো। তিনি জানান, ভাই দীপক চাহার ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকায় এই সমস্যাগুলোর মুখোমুখি হতে হয়নি, কিন্তু তিনি নিজে সবটা খুব কাছ থেকে দেখেছেন ও সহ্য করেছেন।

Read More: রহস্যময়ীর সঙ্গে প্রেম আদান-প্রদান শ্রেয়সের, ভিডিও ভাইরাল হতেই শুরু চর্চা !!

তিনি জানান, বাবা-মায়ের ঝামেলার প্রভাব সরাসরি তাঁর উপর পড়ত। কখনও মায়ের রাগ, কখনও বাবার কঠোর শাসন – এই দ্বন্দ্বের মাঝেই কেটেছে তাঁর শৈশব। প্রায় ১৩ বছর ধরে বাবা-মা আলাদা থাকছেন, যা পরিবারের ভিতকে আরও দুর্বল করে দেয়। অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও মালতীর বাবা ছিলেন সম্পূর্ণ বিরোধী। মালতীর পিতার স্বপ্ন ছিল মেয়ে আইপিএস অফিসার হবেন। সেই কারণেই মালতীর উপর চাপানো হয়েছিল কঠোর নিয়ম।

ব্যাক্তিগত স্বাধীনতা পাননি মালতী

'বাবা আমাকে কু-নজর দিতেন....', জীবনের অন্ধকার অধ্যায় ফাঁস করলেন দীপক চাহারের দিদি মালতী !! 2
Malti Chahar | Image: Getty Images

মালতী মন্তব্য করে বলেন, “আমার জন্য নিয়মটা একটু বেশিই কড়া ছিল, বাবা চাইতেন আমাকে আইপিএস অফিসার বানাতে। যে কারণে একাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ছোট চুল রাখতাম ব্যক্তিগত কোন স্বাধীনতা ছিল না।” নিজের মতন করে বাঁচার সুযোগ পাননি তিনি। এরপর, দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ার সময় মালতীর জীবনে বড় ধাক্কা আসে, যখন তাঁর বাবা হঠাৎ করেই তাঁর সঙ্গে সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। এই মানসিক দূরত্ব তাঁকে গভীরভাবে আঘাত করে। একইসঙ্গে, বাবার কর্মসূত্রে সুরতগড়ের মতো ছোট শহরে থাকার সময় তাঁকে সমাজের অশালীন মন্তব্য ও কটূক্তির মুখোমুখি হতে হয়। এই অভিজ্ঞতাগুলো তিনি কখনও পরিবারকে বলতে পারেননি। অন্যদিকে মালতীর মতে, তাঁর বাবা খারাপ মানুষ ছিলেন না। তবে তিনি ছোট থেকে কনক স্বাধীনতা পাননি বলেই মনে করেন।

Read Also: “দেখলেই অনেক কিছু…” বিরাট কোহলির উপর ফিদা বৈষ্ণবী শর্মা, করলেন এই মন্তব্য !!

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *