গুয়াহাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে লজ্জাজনক পরাজয়ের পরেও ভারতীয় দলের প্রধান কোচ হিসাবে বহাল থাকছেন গৌতম গম্ভীর (Gautam Gambhir) এমনটাই জানিয়ে দিলো বিসিসিআই (BCCI)। গত বছর নভেম্বরে নিউজিল্যান্ডের কাছে টেস্ট সিরিজ হেরেছিল ভারত। সে সময়েও ভারতের হেড কোচ গম্ভীরই ছিলেন। আপাতত গম্ভীরের কোচিংয়ে ভারত ঘরের মাঠে ৯টি টেস্ট খেলে ৪টি- তে জিতেছে এবং বিদেশে ১০ ম্যাচে মাত্র ৩টি জিতেছে। দলের এই পরিস্থিতিতে গম্ভীরকে দল থেকে ছাঁটাই করার দাবি উঠেছে সমাজ মাধ্যমে। গুয়াহাটি টেস্টের পর সংবাদ সম্মেলনে গম্ভীর তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় খোলাসা করেছিলেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন ভারতীয় ক্রিকেটের থেকে অন্য ব্যাক্তি বা এমনকি নিজেও গুরুত্বহীন।
১ বছরে দুবার হোম টেস্ট হোয়াইটওয়াশ

পাশাপশি, দলের দুরবস্থার দায় তাঁর থেকেই শুরু বলে স্বীকার করে গম্ভীর আরও বলেন, বোর্ড চাইলে তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়েও সিদ্ধান্ত নিতে পারে। গম্ভীরের শেখ বয়ানের পরেই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা উঠে এসেছে। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইয়ের এক শীর্ষ কর্তা জানিয়েছেন যে, এখনই গৌতম গম্ভীরকে সরানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। ২০২৭ সাল পর্যন্ত ভারতের কোচ হিসেবে বহাল থাকবেন গম্ভীর। গম্ভীরকে নিয়ে বয়ানে তিনি বলেছেন, “গৌতম গম্ভীর একটি নতুন দল তৈরি করছেন। তাঁর সঙ্গে বোর্ডের চুক্তি ২০২৭ সালের ওডিআই বিশ্বকাপ পর্যন্ত। তবে, এই দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের পর বোর্ড, নির্বাচক কমিটি ও গৌতম গম্ভীরকে নিয়ে আলোচনা করা হবে। দলের এই যে ট্রানজিশন পর্যায়টি তিনি কীভাবে দেখছেন, কী পরিকল্পনা করছেন, সেটা নিয়ে তাঁর কাছ থেকেই বোর্ড জানতে চাইবে।”
Read More: অবিক্রিত অ্যালিসা হিলি-জ্যাকপট পেলেন দীপ্তি শর্মা, দেখুন WPL 2026’এর নিলামে বিক্রিত তারকাদের তালিকা !!
হেড কোচ হিসেবে বহাল থাকছেন গৌতম গম্ভীর

অন্যদিকে, আর এক বোর্ডকর্তা মন্তব্য করে জানিয়েছেন, “হুট করে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো বিসিসিআইয়ের চরিত্র নয়। এটা ঠিক যে, দল এখন বড় পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সামনেই বিশ্বকাপ, তার আগে কোচের পরিবর্তন করলে আরও অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। তাছাড়া গৌতম গম্ভীরের চুক্তি ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত। তাই এখনই তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে আলাদা করে কিছু ভাবার প্রয়োজন নেই।” প্রসঙ্গত, দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ঘরের মাঠে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর গম্ভীর নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেছিলেন, “আমার ভবিষ্যৎ নিয়ে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার তা বোর্ড নির্ধারণ করবে। তবে আমি একটা কথা স্পষ্ট জানিয়ে দিতে চাই – ভারতীয় ক্রিকেট সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, আমি নই। আমি সেই একই মানুষ যার নীচে ভারত ইংল্যান্ডে ভালো ফল করেছে, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ও এশিয়া কাপ জিতেছে।”