অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দাপুটে পারফরম্যান্সে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে বড় চমক দেখাল জিম্বাবুয়ে। টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে এসে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রান তুলে ফেলে জিম্বাবুয়ে। শ্রীলংকার স্পিন উইকেটে এই রান জয়ের জন্য যথেষ্ট হলেও সামনে থাকা অস্ট্রেলিয়া যে কতটা ভয়ঙ্কর তা ক্রিকেট বিশ্ব জানে। তবু দ্বিতীয় ইনিংসে অনবদ্য বোলিং পারফরম্যান্স দেখিয়ে ২৩ রানে জয় সুনিশ্চিত করে নিলো জিম্বাবুয়ে দল।
ব্যাট হাতে জিম্বাবুয়ের ভিত গড়ে দেন ব্রায়ান বেনেট। ৫৬ বলে ৬৪ রানের অপরাজিত ইনিংসে ৭টি চার মেরে দলকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে দেন তিনি। তাদিওয়ানাশে মারুমানি মাত্র ২১ বলে ৩৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। রায়ান বার্ল করেন ৩০ বলে ৩৫। শেষদিকে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ১৩ বলে ২৫ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে স্কোরকে ১৬৯-এ পৌঁছে দেন। অস্ট্রিলিয়ার পক্ষে ক্যামেরন গ্রিন ও মার্কস স্টয়নিস একটি করে উইকেট সংগ্রহ করেন।
বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়াকে পরাস্ত করলো জিম্বাবুয়ে

জবাবে রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। জশ ইংলিস মাত্র ৮ রান করে ফেরেন। অধিনায়ক ট্রাভিস হেড করেন মাত্র ১৭। ক্যামেরন গ্রিন ও টিম ডেভিড শূন্য রানে আউট হয়ে অজিদের চাপে ফেলে দেন। পাওয়ার প্লেতে মাত্র মাত্র ৩৮ রান বানায় অজি রা এবং হারিয়ে ফেলে ৪ উইকেট। লোয়ার মিডল অর্ডারে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ৩১ রান করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। একপ্রান্তে লড়াই চালিয়ে যান ম্যাট রেনশ। ৪৪ বলে ৬৫ রানের ইনিংসে ৫টি চার ও ১টি ছক্কা মেরে আশা জাগান তিনি। তবে অন্য প্রান্তে নিয়মিত উইকেট পড়ায় ম্যাচ হাতছাড়া হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ার। ১৯.৩ ওভারে ১৪৬ রানে অলআউট হয় তারা।
বল হাতে জিম্বাবুয়ের নায়ক ব্লেসিং মুজারাবানি। ৪ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৪টি উইকেট তুলে অস্ট্রেলিয়ার টপ অর্ডার ভেঙে দেন তিনি। দুর্দান্ত বোলিং পারফরম্যান্সের পর তিনি হয়েছেন ম্যাচ সেরা। তাছাড়া, ব্র্যাড ইভান্স নেন ৩টি উইকেট। ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও রায়ান বার্ল একটি করে সাফল্য পান। এই জয়ে জিম্বাবুয়ে বি- গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে।