বিশ্বের একমাত্র বিদেশী খেলোয়াড়, যার ভারতে আসার জন্য দরকার পড়েনা ভিসা

এ কথা আপনারা সকলেই জানেন যে, যে কোনো দেশের নাগরিককে বিদেশে যাওয়ার জন্য ভিসার প্রয়োজন হয়। হ্যাঁ যদি ভারতীয় খেলোয়াড়রা কোনো দেশে যান তো তাদেরও ভিসার প্রয়োজন হয়। এভাবেই যদি কোনো বিদেশী খেলোয়াড় যখন ভারতে আসেন তো তাকেও ভিসা নিতে হয়। কিন্তু আজ আমরা আপনাদের জানাব এমন এক খেলোয়াড়ের ব্যাপারে যাকে ভারতে আসার জন্য ভিসা নিতে হয় না।

এই শ্রীলঙ্কান খেলোয়াড়কে ভারতে আসতে নিতে হয় না ভিসা

বিশ্বের একমাত্র বিদেশী খেলোয়াড়, যার ভারতে আসার জন্য দরকার পড়েনা ভিসা 1

আমরা যে খেলোয়াড়ের কথা বলছি তিনি হলেন শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তী স্পিনার মুথাইয়া মুরলীধরণ। আপনারা হয়ত ভাবছেন যে কি এমন করেছেন মুরলীধরণ যে তাকে ভারতে আসার জন্য ভিসা নিতে হয়। আসলে মুরলীধরণকে ভারত সরকারের তরফে এমন সুবিধা দেওয়া হয়েছে যে মুরলীর ভারতে আসতে কখনো ভিসার প্রয়োজন পড়ে না। আপনাদের জানিয়ে দিই যে মুরলীধরণ ভারতের প্রবাসী নাগরিক আর এই কারণে তাকে ভারতে আসতে ভিসা নিতে হয় না।

ভারতের মূল বাসিন্দা হলেন মুথাইয়া মুরলীধরণ

বিশ্বের একমাত্র বিদেশী খেলোয়াড়, যার ভারতে আসার জন্য দরকার পড়েনা ভিসা 2

মুথাইয়া মুরলীধরণের পরিবার মূলরূপে ভারতের বাসিন্দা। হ্যাঁ, সেই সঙ্গে মুরলীধরণ ভারতেই বিয়ে করেছিলেন। আপনাদের জানিয়ে দিই যে মুরলী শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের হয়ে খেলেন। তিনি নিজের আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে টেস্টে ৮০০ উইকেট আর ওয়ানডে ক্রিকেটে ৫৩৪টি উইকেট হাসিল করেছেন। যদিও মুরলীধরণ শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল থেকে অবসর নিয়ে ফেলেছেন আর তার বয়েস এই মুহূর্তে ৪৭ বছর হয়ে গিয়েছে। মুরলী নিজের শেষ আন্তর্জাতিক ঈয়ানডে ম্যাচ ২ এপ্রিল ২০১১য় আর শেষ টেস্ট ম্যাচ ২০১০এ এবং শেষ টি-২০ ম্যাচ ৩১ অক্টোবর ২০১০ এ খেলেছিলেন।

মুরলীধরণের উপর তৈরি হচ্ছে বায়োপিক

বিশ্বের একমাত্র বিদেশী খেলোয়াড়, যার ভারতে আসার জন্য দরকার পড়েনা ভিসা 3

টলিউডে মুরলীধরণের জীবনের উপর তৈরি হচ্ছে বায়োপিক ফিল্ম। এমনিতে তো বলিউডে এই মুহূর্তে বায়োপিকের ক্রেজ চলছে। কিন্তু এটা প্রথমবার হবে যখন কোনো শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটের জীবন নিয়ে বায়োপিক দেখতে পাওয়া যাবে। এই ফিল্মের নাম রাখা হয়েছে ‘৮০০’। আর এই ফিল্মে শচীন তেন্ডুলকর, সনৎ জয়সূর্যদেরও চরিত্র হিসেবে দেখা যাবে।

suvendu debnath

কবি, সাংবাদিক এবং গদ্যকার। শচীন তেন্ডুলকর, ব্রায়ান লারার অন্ধ ভক্ত। ক্রিকেটের...

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *