স্টিভ স্মিথ

১৪ বছর পর কলকাতার ঐতিহাসিক ইডেন গার্ডেন খেলতে নেমেও ভাগ্য বদল হয় নি অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও হেরে যায় অস্ট্রেলিয়া। এর ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ২-০ তে পিছিয়ে গেল সফরকারীরা। কিন্তু ম্যাচের যখন অর্ধেক শেষ হয় অর্থ্যাৎ ভারতের ইনিংস শেষে বেশ তৃপ্ত ই ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার দলপতি। ভারতের ইনিংস ২৫২ তে থামলে অস্ট্রেলিয়া ভেবেছিল তাড়া খুব সহজে ই এই রান করে ফেলবে। স্মিথ বলেন, “আমরা ২৫০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে বেশ খুশি ছিলাম, ভেবেছিলাম আমরা বোলিংয়ে দারুণ করেছি।”

তিনি স্বীকার করেন যে ভারতের মত দলের বিপক্ষে ভাল ফলাফল পেতে হলে ব্যাটসম্যানদের সবাই মিলে ভাল করতে হবে। বিশেষ করে প্রথম সারির ব্যাটসম্যানদের। কিন্তু রান তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম সারির ব্যাটসম্যানরা সেই কাজ করতে ব্যর্থ হোন। প্রথম সারির ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা ই ম্যাচ হারার প্রধান কারন। স্মিথ প্রশংসা করেন স্টোনিশের চমৎকার ব্যাটিং এরও। কিন্তু কেউ তাকে সঙ্গ দিতে না পারার কারনে ই ম্যাচ হারতে হয়। অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক বলেন, “সে অসাধারণ একটি ইনিংস খেলেছে। অন্যান্য ব্যাটসম্যানরা যদিও অনেক বাজে সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং ভারতের মত এত শক্তিশালী দলের বিপক্ষে যেটা করা কখনই উচিত নয়। স্টোনিশ এক প্রান্ত থেকে দারুণ খেলেছে শেষ পর্যন্ত, শুধু প্রয়োজন ছিল কোনো একজন তার সাথে শেষ পর্যন্ত ক্রিজে থেকে ব্যাট করার। আমাদের প্রথম চার জন ব্যাটসম্যানদের কোনো একজনের প্রয়োজন ছিল ক্রিজে থাকা এবং শত রানের একটি ইনিংস খেলে আসা। কিন্তু তারা প্রেসার সিচুয়েশনে বাজে সিদ্ধান্ত নিয়ে আউট হয়ে এসেছে। ভারতকে ২৫০ রানের মধ্যে বেধে ফেলা বেশ ভালো ছিল।”

স্মিথ বলেন ম্যাচ জিতার জন্য তাদের ভাল পার্টনারশিপ দরকার ছিল, যেমন এই ম্যাচ এবং প্রথম ম্যাচে ভারতের ইনিংসে ছিল। কিন্তু প্রথম ম্যাচের মত এই ম্যাচেও অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে কোন কার্যকরী পার্টনারশিপ গড়ে উঠে নি। স্মিথ বলেন, “শুধু প্রয়োজন কিছু বড় পার্টনারশিপ তৈরি করতে পারা। যদি আমরা সেটা করতে পারি তাহলে এধরনের টোটাল আমরা খুব সহজেই চেজ করে ফেলতে পারবো। তারা সব কিছু হাতের কাছে তৈরি হিসেবেই পেয়েছিল, তাই নয় কি?” ম্যাচ শেষে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক। এর আগে ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্সের সাথে এক মত বিনিময় সভায় ভারতের মাটিতে একটি সিরিজ জয়ের ইচ্ছার কথা জানান অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক। বলেন, এটা অনেক বড় উত্তেজনা এবং তা অনেক দিন ধরে ই চলছে। একজন অধিনায়ক হিসেবে আপনি অবশ্য ই ভারতে একটি সিরিজ জিততে পছন্দ করবেন। এখানে আসা এবং খেলা অনেক বড় একটি বিষয়। উইকেট গুলো অনেক ভিন্ন এবং খেলাটা অনেক উপভোগের বিষয়। হোক ওয়ানডে কিংবা টি-টুয়েন্টি কোন পার্থক্য নেই।”

SHARE

আরও পড়ুন

আইপিএল ২০১৯: যে তিন ফ্র্যাঞ্চাইজি দলে ভেড়াতে পারে গৌতম গম্ভীরকে

দুই বিশ্বকাপ আসরের ফাইনালে দলের পক্ষে সেরা ইনিংস খেলে দলকে জয়ী করার ক্ষেত্রে অবদান রাখা গৌতম গম্ভীরকে...

TOP5: যে ৫ বাংলাদেশী ক্রিকেটারের দিকে নজর দিতে পারে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি

আগামী বিশ্বকাপের আগে বসতে যাচ্ছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ আইপিএলের বারোতম আসর। বিশ্বের অন্যতম সেরা এই টুর্নামেন্টে বসে...

আইপিএল ২০১৯: মুস্তাফিজকে দলে ভেড়াতে চাইবে যে তিন ফ্র্যাঞ্চাইজি

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রাজকীয় অভিষেক হবার পর থেকে একের পর এক রেকর্ড গড়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশী পেসার মুস্তাফিজুর রহমান।...

TOP5: ওয়ানডেতে সর্বকালের সেরা ৫ উইকেটরক্ষক

গ্লাভস হাতে তিন কাঠির পেছনে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে বলের দিকে তাকিয়ে থাকেন উইকেটরক্ষক। বল গ্লাভস বন্দী করে ব্যাটসম্যানকে...

TOP5: আইপিএলে সর্বাধিক ছক্কা হাঁকানো পাঁচ ব্যাটসম্যান

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ বা আইপিএল যেন প্রতিভাবান ক্রিকেটার খোঁজার এক আতশ কাচ। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে হওয়া এই...