নিউজিল্যান্ডের হারে হতাশ বেন স্টোকসের বাবা, চাননি ইংল্যাণ্ড জিতুক বিশ্বকাপ

ইংল্যান্ড আর ওয়েলসে খেলা হওয়া বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ম্যাচ হয়ে থেকেছে। এই ম্যাচে ইংল্যান্ড নিউজিল্যান্ডকে রানে নয় বরং বাউন্ডারি কাউন্টিংয়ের আধারে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপ জিতেছে। বেন স্টোকস এই ম্যাচের নায়ক থেকেছেন।

নিউজিল্যান্ডের হারে  হতাশ বেন স্টোকসের বাবা, চাননি ইংল্যাণ্ড জিতুক বিশ্বকাপ 1

তিনি শেষ বল পর্যন্ত ইংল্যান্ডকে জেতাতে চেষ্টা করতে থাকেন। তিনি এই কথাকে সত্যি প্রমানিত করে দিয়েছেন যে যারা চেষ্টা করে তাদের হার হয় না।

বেন স্টোকসের বাবা কিউয়ি খেলোয়াড়দের চেয়েছিলেন জেতাতে

নিউজিল্যান্ডের হারে  হতাশ বেন স্টোকসের বাবা, চাননি ইংল্যাণ্ড জিতুক বিশ্বকাপ 2

এই রোমাঞ্চকর ম্যাচে পাওয়া সফলতায় রোমাঞ্চিত হওয়ার পর বেন স্টোকসের বাবা জেরার্ড খোলসা করে বলেছেন যে তিনি লর্ডসে ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের জন্য খুশি হচ্ছিলেন। যদিও তিনি নিজের ছেলে এবং ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার আর নতুন চ্যাম্পিয়নদের জন্য ভীষণই খুশি ছিলেন, কিন্তু তিনি এখনো একজন নিউজিল্যান্ড সমর্থক।

নিউজিল্যান্ডে থাকেন স্টোকসের মা-বাবা

নিউজিল্যান্ডের হারে  হতাশ বেন স্টোকসের বাবা, চাননি ইংল্যাণ্ড জিতুক বিশ্বকাপ 3

প্রসঙ্গত যে ২৮ বছর বয়েসী বেন স্টোকসের জন্ম নিউজিল্যান্ডে হয়েছিল। কিন্তু ১২ বছর বয়েসে তিনি ইংল্যান্ডে চলে যান, যখন তার বাবা জেরার্ড স্টোকস কুংভারিয়াতে একটি রাগবী লীগ কোচিং কন্ট্রাক্ট নেন। আপনাদের জানিয়ে দিই যে এই অলরাউন্ডার খেলোয়াড় এখন ইংল্যান্ডে স্থিতু হয়ে গিয়েছেন তিনি তার মা-বাবা এখনো নিউজিল্যান্ডে থাকেন। স্টোকসের বাবা জানিয়েছেন, তাদের কাছে মিশ্র অনুভুতি ছিল কারণ ব্ল্যাক ক্যাপসরা খেতাব জেতা হাতছাড়া করে ফেলেছিল, কিন্তু লর্ডসে ইংল্যান্ডের হয়ে নিজের ছেলের ম্যাচ জেতানো প্রদর্শন দেখার জন্য তারা খুশি।

জেরার্ড বলেন,

“আমি বাস্তবে ব্ল্যাক ক্যাপসদের জন্য নিরাশ। এটা লজ্জার কথা যে কাউকে ট্রফি ছাড়া ফাইনাল থেকে ফেরত আসতে হচ্ছে। বুকে হাত দিয়ে আমি বেন আর ওর দলের জন্য ভীষণ খুশি, কিন্তু আমি এখনো নিউজিল্যান্ডের সমর্থক। আমার ছেলে স্পষ্টভাবে ক্লান্ত ছিল, কিন্তু ও এই মুহূর্তে সম্পূর্ণভাবে ফিট আর ও ওর কড়া মেহনতের ফল পেয়েছে”।

নিউজিল্যান্ডের হারে  হতাশ বেন স্টোকসের বাবা, চাননি ইংল্যাণ্ড জিতুক বিশ্বকাপ 4

তিনি আগে বলেন,

“ও ব্ল্যাক ক্যাপসের জন্য অনুভব করবে হয়ত কিন্তু দেশবাসী হিসেবে নয়। ও ভেবে থাকবে যে নিউজিল্যাণ্ডের খেলোয়াড়রা কি অনুভব করছে। এটা ভীষণই ভাল ব্যাপারে যে দুই দলই ভালভাবে মেলামেশা করা আর একে অপরের সম্মান করে”।

suvendu debnath

কবি, সাংবাদিক এবং গদ্যকার। শচীন তেন্ডুলকর, ব্রায়ান লারার অন্ধ ভক্ত। ক্রিকেটের...

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *