কোহলিকে হতবাক করে দুরন্ত ক্যাচ নিলেন ট্রেন্ট বোল্ট

সকলেই কথা বলছে ট্রেন্ট বোল্টের নেওয়া বিরাট কোহলির ক্যাচের ব্যাপারে, সকলের মনেই কেবল একটাই প্রশ্ন ‘কীভাবে এই অদ্ভুত ক্যাচকে বর্ণনা করা যেতে পারে?”। এটা দেখে আউট হওয়ার কথা মনেই হয় নি। বোলার খুবই খারাপ বল করেছে, ব্যাটসম্যানও সত্যিই দারুণ শট খেলেছে যে রান হওয়া নিশ্চিত ছিল, কিন্তু রান হওয়ার বিরুদ্ধে গিয়ে নিশ্চিত বোল্ট সিদ্ধান্ত নেন বলটি ভাগ্য বদলাতে। দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে এই ম্যাচে অভিষেক করা হর্ষদ প্যাটেলে তার করা ওভারটি নিয়ে গর্বিত বোধ করবেন না কারণ ইতিমধ্যেই তার প্রথম পাঁচ বলে ১০ রান দিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। যদিও বাস্তব বিবেচনা করলে তিনি বিরাট কোহলি এবং এবি ডেভিলিয়র্সকে বল করছিলেন ফলে ওই রান খুব একটাও খুব একটা খারাপ ছিল না। কিন্তু শেষ বলটি ছিল সত্যিই খারাপ। ফুল টস, তাও প্যাডে, হাঁটুর উপরে ফলে বলটির মাঠের বাইরে যাওয়া নিশ্চিত ছিল।

কোহলিকে হতবাক করে দুরন্ত ক্যাচ নিলেন ট্রেন্ট বোল্ট 1

কোহলিও ঠিক তাই করেছিলেন এবং বলটিরও ফ্লিক শটে ছয়ের জন্যই উড়ে যাচ্ছিল। ব্যাট বল লাগা মাত্রাই বলটি উড়ে গিয়েছিল এবং বলটি সেদিকেই উড়ে যাচ্ছিল যেখানে তিনি ছিলেন, অর্থাৎ ডিপ স্কোয়ার লেগে। বোল্ট বলের উপরেই চোখ রেখেছিলেন এবং সব কিছু নিমেষেই সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল এবং তিনি ধরার জন্য ছুটে যান। তিনি বাউন্ডারি লাইনের কয়েক পা মাত্র ভেতরে ছিলেন, ঝাঁপিয়ে পড়ে ডান হাত লম্বা করে দেন উপরের দিকে যা তার উল্টো হাত ছিল। এবং শেষ পর্যন্ত তার আঙুলের ভালো অংশটি বলের উপরে নিয়ে যেতে সক্ষম হন। তিনি আঙুলের সাহায্যে বলটিকে হাতের তালুবন্দী করেন এবং মাটিতে পড়ে যান। তার ডাইভের গতিবেগ এবং বলের কাছ থেকে তাকে বাউন্ডারি লাইনের দিকে নিয়ে যায়। বোল্টের তখন সুনিশ্চিত করার দরকার ছিল যে তিনি বাউন্ডারি লাইন টাচ করেন নি এবং যা মাত্র কয়েক ইঞ্চির ব্যাপার ছিল।

কোহলিকে হতবাক করে দুরন্ত ক্যাচ নিলেন ট্রেন্ট বোল্ট 2

কোহলিও ঠিক তাই করেছিলেন এবং বলটিরও ফ্লিক শটে ছয়ের জন্যই উড়ে যাচ্ছিল। ব্যাট বল লাগা মাত্রাই বলটি উড়ে গিয়েছিল এবং বলটি সেদিকেই উড়ে যাচ্ছিল যেখানে তিনি ছিলেন, অর্থাৎ ডিপ স্কোয়ার লেগে। বোল্ট বলের উপরেই চোখ রেখেছিলেন এবং সব কিছু নিমেষেই সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল এবং তিনি ধরার জন্য ছুটে যান। তিনি বাউন্ডারি লাইনের কয়েক পা মাত্র ভেতরে ছিলেন, ঝাঁপিয়ে পড়ে ডান হাত লম্বা করে দেন উপরের দিকে যা তার উল্টো হাত ছিল। এবং শেষ পর্যন্ত তার আঙুলের ভালো অংশটি বলের উপরে নিয়ে যেতে সক্ষম হন। তিনি আঙুলের সাহায্যে বলটিকে হাতের তালুবন্দী করেন এবং মাটিতে পড়ে যান। তার ডাইভের গতিবেগ এবং বলের কাছ থেকে তাকে বাউন্ডারি লাইনের দিকে নিয়ে যায়। বোল্টের তখন সুনিশ্চিত করার দরকার ছিল যে তিনি বাউন্ডারি লাইন টাচ করেন নি এবং যা মাত্র কয়েক ইঞ্চির ব্যাপার ছিল।

কোহলিকে হতবাক করে দুরন্ত ক্যাচ নিলেন ট্রেন্ট বোল্ট 3

তার মাথা প্রায় দড়ির বাইরে চলে যায়কিন্তু তিনি তার হাতটিকে বুকের খুব কাছে পেটের দিকে টেনে নেন। শেষ পর্যন্ত যখন তার শরীরটি থামে তখন তিনি ভেতরেই ছিলেন। তিনি কোনওভাবেই ফেন্সকে ছোন নি। এবং এটা একটা দুরন্ত ক্যাচ হয়ে দাঁড়ায়। তিনি উঠে দাঁড়ান এবং নিজেই চমকে যান। যদিও তিনি নিশ্চিত ছিলেন যে এটা পরিস্কার ছিল এবং এর পরেই ক্যাচের দাবী করেন। অ্যাম্পায়াররা তার কাছে যান এবং যদিও তারা হালকা সিগন্যালের জন্য থার্ড অ্যাম্পায়ারের কাছেও যান। রিপ্লেতে বোল্টের প্রতিভা নিশ্চিত হয় এবং সকলে এমনকী কোহলি এবং বোল্টের সতীর্থরাও বিশ্বাস করতে পারছিলেন না যে তারা এই ক্যাচের সাক্ষী হলেন। চিন্নাস্বামীতে উপস্থিত সকলেই হতবাক হয়ে যান কারণ ততক্ষণে কোহলি প্যাভিলিয়নের দিকে হাঁটতে শুরু করে দিয়েছেন।

suvendu debnath

কবি, সাংবাদিক এবং গদ্যকার। শচীন তেন্ডুলকর, ব্রায়ান লারার অন্ধ ভক্ত। ক্রিকেটের...

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *