আইপিএল ২০১৮: কি বললেন হায়দ্রাবাদ মুম্বাই ম্যাচের ম্যান অফ দ্য ম্যাচ এই স্পিনার? 1

কঠিন পরিস্থিতিতেই চ্যাম্পিয়নরা বারবার ফিরে আসে, মুম্বাইয়ের বিরুদ্ধে চাপের মুখে সে কথাই প্রমান করল সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। এখনও পর্যন্ত এই মরশুমের সবচেয়ে কম রানের লক্ষ্যকে ডিফেন্ড করে তারা বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে ৩১ রানের বিশাল ব্যাবধানে হারিয়ে দিল। মূলত এই ম্যাচ তারা জেতে তাদের বোলার কৃতিত্বেই, যারা সঠিক লাইন লেংথ বজায় রেখে মুম্বাইকে মাত্র ৮৭ রানে আটকে দেয়। অন্যদিকে ৬টির মধ্যে পাঁচটি ম্যাচ হেরে মুম্বাই এই মরশুমে তাদের জন্য কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করে ফেলল। এই মুহুর্তে দ্রুত সমাধান খুঁজে তাদের জয়ের রাস্তায় ফেরাটা জরুরী হয়ে পড়েছে। মুম্বাই এই ম্যাচে টসে জিতে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদকে প্রথমে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানালে হায়দ্রাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ২৯ রানের ধৈর্যপূর্ণ ইনিংস খেলেন, তিনি ছাড়া আর বাকি ব্যাটসম্যানরাই দায়িত্বজ্ঞানহীন শট খেলে আউট হন। অধিনায়ককে যোগ্য সহায়তা দিয়ে ইউসুফ পাঠানও ২৯ রানের ইনিংস খেলেন। মুম্বাইয়ের লেগ স্পিনার ময়ঙ্ক মারকান্ডে দুরন্ত বোলিং প্রদর্শন করে ২/১৫ উইকেট নেন। হায়দ্রাবাদও তাদের নির্ধারিত ২০ ওভার সম্পুর্ণ ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হয়ে ১৯ ওভারে ১১৮ রান তোলে। হায়দ্রাবাদ এত কম রানে আউট হয়ে গেলেও খুবই কম লোকই ধারণা করতে পেরেছিল যে মুম্বাইয়ের পক্ষে এই রান দরকারের থেকেও বেশ হয়ে উঠবে কারণ রান তাড়া করতে নেমে মুম্বাইও নিয়মিত অন্তরালে তাদের উইকেট হারাতে থাকে।

আইপিএল ২০১৮: কি বললেন হায়দ্রাবাদ মুম্বাই ম্যাচের ম্যান অফ দ্য ম্যাচ এই স্পিনার? 2

যথেষ্ট দায়িত্বজ্ঞানহীন বেপরোয়া শট খেলে আউট হন ঈশাণ কিষান এবং রোহিত শর্মা, যার পরেই ধস নামে মুম্বাইয়ের ব্যাটিং লাইনআপে। একমাত্র সূর্যকুমার যাদব এবং এবং ক্রুণাল পান্ডিয়া কিছুটা চেষ্টা করেন কিন্তু তাদের জুটির পতন হওয়ার মুম্বাই ইনিংস ওয়ান ওয়ে ট্রাফিকে পরিণত হয়। অন্যদিকে হায়দ্রবাদ তাদের এই সংস্করণের শ্রেষ্ঠ পারফর্মেন্স দেখিয়ে প্রমান করেন যে ভুবনেশ্বর কুমারকে ছাড়াই এখনও তাদের বোলিং আক্রমণ যথেষ্ট তীক্ষ্ণ। এই ম্যাচে হায়দ্রাবাদ বোলারদের মধ্যে রশিদ খানের বোলিং গড় দাঁড়ায় ৪.1.11.2। যা তাকে এই ম্যাচের ম্যান অফ দ্য ম্যাচের পুরস্কার এনে দেয়।

আইপিএল ২০১৮: কি বললেন হায়দ্রাবাদ মুম্বাই ম্যাচের ম্যান অফ দ্য ম্যাচ এই স্পিনার? 3

ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে রশিদ জানান, “ভগবানকে ধন্যবাদ। হারের পর ফিরে আসায় বেশ ভালই লাগছে। আমরা কোচিং স্টাফদের কাছ থেকে অনেক কিছুই শিখতে পারি। তারা আমাকে অনুপ্রাণিত করে চলে। তারা আমাকে রিল্যাক্স থাকতে বলে এবং এটাই আমার মধ্যে থেকে সেরাটা বের করে আনে। আপনি যাই করুন না কেন আপনাকে রিল্যাক্স থাকতে হবে এবং আপনার বেসিকটাকে ধরে রাখতে হবে। আমরা হারি বা জিতি, ম্যানেজমেন্ট সবসময়ই আমাদের ভালো পজিটিভ জায়গায় রাখে”।

suvendu debnath

কবি, সাংবাদিক এবং গদ্যকার। শচীন তেন্ডুলকর, ব্রায়ান লারার অন্ধ ভক্ত। ক্রিকেটের...

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *