[cwa id='h1']

JCC
পেশাদার ক্রিকেটার হতে চান?
এখানে রেজিস্টার করুন

*T&C Apply

ম্যাচ শুরু হতে হাতে বাকিছিল মাত্র ১০ মিনিট। ঘরের মাঠে এবারের আইপিএলে টিম কেকেআর-এর প্রথম ম্যাচ দেখার জন্য ইডেনেও কমবেশি ৫০ হাজার দর্শক ভিড় জমিয়ে ছিলেন। তখনও ম্যাচ শুরু হওয়ার বেশকিছুটা সময় হাতে থাকায় দুই দলের ক্রিকেটাররা মাঠে হালকা অনুশীলনে ব্যস্ত ছিলেন। এর মধ্যে হঠাৎ মাঠে থাকা কেকেআর-এর বেশকিছু ক্রিকেটাররা সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে চেঁচিয়ে বলতে থাকেন, ইডেনের প্রেস বক্সের নীচের দিকে আগুন লেগেছে। ক্লাব হাউজে বসে থাকা দর্শকরাও ঘাড় ঘুরিয়ে ওপরের দিকে তাকিয়ে দেখে দৌড়াদৌড়ি শুরু করে দেন। তখন প্রেস বক্সের বাইরে থাকা এসি মেশিন থেকে আগুনের ফুলকির মধ্যে অনর্গল কালো ধোঁয়া বের হচ্ছে দেখে নীচে বসে থাকা দর্শকরা নিজেদের সিট ছেড়ে নিরাপদ দূরত্বে সরে যান। বিষয়টি বুঝতে পেরে প্রেস বক্সের মধ্যে থাকা সাংবাদিকদের মধ্যে হুড়োহুড়ি লেগে যায়। অনেকেই ভয়ে তড়িঘড়ি প্রেসবক্স থেকে বেরিয়ে আসেন। যদিও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা সঙ্গে সঙ্গে অগ্নি নির্বাপন যন্ত্রের মাধ্যমে মুহূর্তে সে আগুন নিভিয়ে দেন।

শুধু ক্রিস লিন নন, ইডেনে দলের ‘আসল’ মানুষটিকেই পাচ্ছে না কেকেআর!

বড় সড় দুর্ঘটনা না ঘটলেও, ইডেনের প্রেস বক্সে আগুন লেগেছে খবরটা মুহূর্তে চারিদিকে ছড়িয়ে যায়। আর সেটা নিয়ে চারিদিকে রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কন্ট্রোল রুম থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান কলকাতা পুলিশের উচ্চপদের আধিকারিকরা। কলকাতা পুলিশ দ্রুততার সঙ্গে সে আগুন নিভিয়ে ফেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে চলে আসেন কলকাতা পুরসভার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ও। তিনি নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের কাছে আগুন লাগার কারণ জানতে চাইলে তারা মেয়রকে শট-সার্কিটের কথা জানান। মেয়র সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে এ ব্যাপারে তাদেরকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।পাশাপাশি প্রেস বক্সের বাইরে এভাবে অগোছাল এসি মেশিন বসানোর কারণও জানতে চান তিনি। যদিও মেয়রকে তাঁরা এ ব্যাপারে শীঘ্রই ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। এবং পরবর্তী সময়ে যাতে এ ধরণের কোনও অঘটন না ঘটে, সেদিকেও বিশেষ নজর দেবেন বলে জানানো হয়েছে কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে।

নাইট অধিনায়ক গম্ভীরের হৃদয়ে কেকেআর নয়, থাকে অন্য একটি দল!

[cwa id='revcontent']
SHARE
[cwa id='moreat']