দেখুন : আঁটুলি সমান চেতেশ্বর পুজারাকে আউট করতে বডিলাইন সিরিজের বোলিং করলেন অসি পেসাররা 1

ইতিমধ্যেই চতুর্থ টেস্ট বেশ জমজমাট জায়গায় চলে এসেছে। ব্রিসবেনে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করা খুবই কঠিন, আর যেখানে টার্গেট ৩৩০, সেখানে এই রান তাড়া করা অত্যন্ত কঠিন। এই অবস্থায় কার্যত এই ম্যাচ বাঁচানোর লড়াইয়ে নেমে পড়েছে ভারতীয় দল। শুরুতে রোহিত শর্মা অল্প রানে আউট হলেও বেশ ভালোমতই ব্যাট করছেন শুভমন গিল এবং চেতেশ্বর পুজারা।

একদিকে শুভমন গিল যেমন নিজের স্বাভাবিক ছন্দে রান নিয়ে খেলছেন, উল্টোদিকে একেবারে মাথা নীচু করে ক্রিজে পড়ে থাকার মানসিকতা নিয়ে ব্যাট করছেন চেতেশ্বর পুজারা। রান তো নিচ্ছেনই না, বরং মারার বল ডিফেন্ড করছেন, যাতে কোনওরকম উইকেট না পড়ে এবং দল অস্বস্তিতে না পড়ে। এই অবস্থায় চেতেশ্বর পুজারার এই কঠিন মানসিকতাকে ভাঙতে এবার বিশেষ পরিকল্পনা নিল অস্ট্রেলিয়ার দুর্ধর্ষ পেসাররা।

মিচেল স্টার্ক, জস হেজলউড এবং প্যাট কামিন্স – এনারা প্রত্যেকেই ১৪০ কিমির বেগে বল করতে সক্ষম। আর তাই চেতেশ্বর পুজারাকে চাপে রাখতে ক্রমাগত বডিলাইন বোলিং করে চলেছেন পেসাররা। ১৯৩২-৩৩ মরশুমে অস্ট্রেলিয়ায় ডন ব্র্যাডম্যান সমৃদ্ধ অস্ট্রেলিয়ার দুর্ধর্ষ টিমকে হারাতে তাদের মাথা ও গায়ের উদ্দেশ্যে শর্ট পিচ বোলিং করেছিলেন ডগলাস জার্ডিনের ইংল্যান্ড। আর সেই ভাবে পুজারার গায়ে ও মাথাকে টার্গেট করে বোলিং করে যাচ্ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার তারকা পেসাররা। আর এই কাজে তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন বিশ্বের এক নম্বর টেস্ট বোলার প্যাট কামিন্স।

একাধিক বার গায়ে ও হাতে চোট পান পুজারা এই বডিলাইন বোলিংয়ের জেরে, একবার তো হেলমেটে আঘাত পেয়েছেন তিনি। আর তাঁর জেরে নয়া নিয়ম অনুসারে ভারতীয় দলের ফিজিও এসে দেখে যান পুজারার চোট দেখতে। যদিও তিনি ঠিকই রয়েছেন এবং দুরন্ত প্রত্যয়ে ব্যাট করে চলেছেন। এই রিপোর্ট লেখার সময় ভারতের স্কোর ৪৩ ওভারে ১০২/১। ব্যাট করছিলেন শুভমন গিল ৭৩ (১৩৩) এবং চেতেশ্বর পুজারা ১৫ (১০৫)। এখনও ৫৭ ওভারে ২২৬ রান দরকার ভারতের এই ম্যাচ জেতার জন্য।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *