কত দিন ভারতকে বিরাট কোহলী প্রতিনিধিত্ব করবেন তা জানালেন 1

কত দিন ভারতকে বিরাট কোহলী প্রতিনিধিত্ব করবেন তা জানালেন 2

বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটিং প্রতিভা হিসেবে বিবেচনা করা ভারতীয় ব্যাটিং জিনিয়াস বিরাট কোহলী। একের পর এক যেভাবে দ্রুত গতিতে রান করে চলছেন আর রেকর্ড করে চলেছেন, তাতে মনে হচ্ছে ব্যাটিং এর অনেক গুলো রেকর্ড ই নিজেদের করে নিবেন। বিশেষ করে একদিনের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ শতকের রেকর্ডটি। ভারতীয় অধিনায়ক সাম্প্রতিক সময়ে সাবেক অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক, ব্যাটিং কিংবদন্তি রিকি পন্টিং এর একদিনের ক্রিকেটে ত্রিশটি শতকের রেকর্ডের অংশীদার হয়েছেন। একদিনের ক্রিকেটে শতক সংখ্যায় কোহলী এখন কেবল ব্যাটিং কিংবদন্তি শচীন রমেশ টেন্ডুলকারের পিছনে আছেন। ২৮ বছরের এই তারকা ব্যাটসম্যান দ্রুতই সে পথে পৌছে যাবেন বলে ই মনে হয়, কারন ত্রিশটি শতক করতে রিকি পন্টিং যেখানে খেলতে হয়েছে ৩৭৫ ম্যাচ সেখানে বিরাট কোহলীর লেগেছে মাত্র ১৯৪ ম্যাচ। এক দিনের ক্রিকেটের পাশাপাশি কম যান না পাঁচ দিনের ক্রিকেটে, সেখানেও আছে তার সতেরটি শতক। ম্যাচ প্রতি যে গতিতে তিনি শতক করছেন তাতে শচিন টেন্ডুলকারের সর্বোচ্চ শতকের রেকর্ড ভাঙ্গতে আর বেশি সময় লাগার কথা না।

কোহলীর সামর্থ্য নিয়ে কারো মনে সন্দেহ না থাকলেও ; একটি প্রশ্ন সবার মনে রয়েছে আর সেটি হল বর্তমানের এই আধুনিক ক্রিকেটে ভারতের রান মেশিন খ্যাত বিরাট কোহলী কত দিন এ ব্যস্ত ক্রিকেটের ধকল কাটিয়ে নিজেকে ফিট রাখতে পারবেন। এ বিষয় কোহলী নিজে ই তার পরিকল্পনা স্পষ্ট করেছেন, যদি বর্তমানে যে ভাবে খেলে যাচ্ছেন যদি ব্যাট ও শরীর সে ভাবে চলে তাহলে আরো দশ বছর খেলতে চান ভারতের অধিনায়ক। ” আমরা অনেকে ই জানিয়ে না আমরা কত দিন নিজেদের খেলা চালিয়ে যেতে পারব। তাই না জানার কারনে আমরা আমাদের সামর্থ্যের সত্তর ভাগের বেশি দিতে পারি না। তাই এক জনের উচিত যতদিন সে পারে ততদিন সে খেলা চালিয়ে যাওয়া। আমি নিজে বর্তমানে যে ভাবে পারছি, যদি এমন ভাবে পারি তবে আরো দশ বছর খেলতে চাই। ” বলেন বিরাট কোহলী। আর পি – এস জি ইন্ডিয়ান স্পোর্টসের এক অনুষ্ঠানে বল ছিলেন কোহলী। কোহলীর ফাউন্ডেশন “বিরাট কোহলী ফাউন্ডেশন” আর পি – সনজিব গোনেকা গ্রুপের সাথে এক হয়ে তৃণমূলে যারা খেলাধূলা কে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে তাদের বৃত্তি প্রদান করে।

উল্লেখ্য যে, ১৮ আগস্ট, ২০০৮ তারিখে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষিক্ত হন কোহলি। একদিনের ক্রিকেটে নিয়মিত অংশগ্রহণ করা স্বত্বেও তারর টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে ২০১১ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে কিংস্টনে। বাংলাদেশ ভারত-শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত ২০১১ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটের শিরোপা বিজয়ী দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ২০১২ সালে আইসিসির বর্ষসেরা একদিনের ক্রিকেটার হিসেবে আইসিসি পুরস্কার লাভের মর্যাদা লাভ করেন কোহলি। ২০১৬ সালে উইজডেন কর্তৃক বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ক্রিকেটারের মর্যাদা পান। ২০১৪ সালে মার্টিন ক্রো টেস্ট ক্রিকেটের তরুণ চার ফ্যাবের অন্যতম হিসেবে জো রুট , কেন উইলিয়ামসন ও স্টিভ স্মিথের সাথে তাকেও অন্তর্ভূক্ত করেন।

Nazmus Sajid

Sports Fanatic!

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *